সাতক্ষীরা থেকে
বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটারের ফাঁদে পড়ে ১লক্ষ ৩৫,২০০/-টাকা হারিয়েছে বিকাশের এজেন্ট, আজ দুপুরে ডিস্ট্রিবিউটর আরিফ এর ফাঁদে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।তিনি এই ঘটনা প্রতারণার শিকার হয়েছেন ফিরোজ কবির, থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন ডায়েরি নাম্বার-৯৫২/২ প্রতারণার শিকার বিকাশের ফিরোজ কবির সূত্রে জানা যায় যে দীর্ঘদিনের ন্যায় এজেন্ট গত শনিবার বিকাশের এরিয়া ডিস্ট্রিবিউটর আরিফের কাছ থেকে নিজের এজেন্ট নাম্বার ০১৭৭৭০৮৮৬০৬তে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা বি টু বি করেন এবং আরো ফোনের পূর্বে ব্যালেন্স ছিল ১৫ হাজারের কিছু বেশি পরিমাণ টাকা।একাউন্টে ব্যালেন্স পরিমাণ সম্পর্কে সব সময় কমবেশি ধারণা থাকতে ডিস্ট্রিবিউটর আরিফের। আজ দুপুরে প্রথমেই ০১৩১৪৪৬০৩৭৯ নাম্বার থেকে ফিরোজের এজেন্ট নাম্বারটিতে ফোন দিয়ে বিকাশের হেড অফিসের পরিচয় দিয়ে তাঁকে বলেন আপনার নাম্বারটি নতুন সিস্টেম চালু করা হবে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন এরপরে ডিস্ট্রিবিউটার আরিফ তার ব্যবহৃত ০১৯৫৮৪৫৪৫২৫ নাম্বার থেকে ফিরোজের মোবাইল ফোন করে বলেন আপনার হেড অফিস থেকে ফোন দিচ্ছে আপনি ফোন রিসিভ করে কথা বলুন এবং অফিসের সাথে লেনদেন ও তার যে সকল তথ্য চাই সেগুলো দিয়ে দিন।এর কিছুক্ষণের মধ্যে আবার ও বিকাশের হেড অফিসের পরিচয় দিয়ে০১৪০৫৫৩৩৪৭৮ নাম্বার থেকে ফিরোজের এজেন্ট নাম্বারে ও পার্সোনাল নাম্বারে ফোন করে পর্যাক্রমে কাছ থেকে এই০১৩০১২৬৭৫৩৯ নাম্বার ২৯,৯৮৮/-টাকা,এই ০১৮৮৪১৭৩৮৬৯নাম্বার থেকে ২৯,৯৮৭/-টাকা, এই ০১৮৪১৪৬১২৩৫নাম্বার থেকে ২৯,৯৮৬/ এই নাম্বার০১৮৯৩৬২৮১৫৪ থেকে ২৯,৯৮৫/- এবং এই ০১৮৬৩২৪৬৩০৮নাম্বার থেকে১৫, ৩১১/- সর্বমোট ১,৩৫,২৫৭/- টাকা ক্যাশ ইন করে নিয়ে অপরপ্রান্ত থেকে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন কিন্তু পরবর্তীতে একাধিকবার ডিস্ট্রিবিউটর আরেফিন নাম্বারে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেনা এই বিষয় নিয়ে সন্দেহ হয় এজেন্ট ফিরোজের। একপর্যায়ে ডিস্ট্রিবিউটর আরিফ এজেন্ট ফিরোজকে ফোন দেয় সর্ববিষয়ে লেনদেন যাবতীয় বিষয় অস্বীকার করে পরবর্তীতে ফিরোজ কবির দেবহাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন বর্তমানে ওই ডিস্ট্রিবিউটার আরিফ ফাঁদে পড়ে এক লক্ষ টাকা হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে। প্রতারণার শিকার এজেন্ট ফিরোজ কবির এই প্রতারণার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার সহ টাকা টাকা ফেরত পেতে সাতক্ষীরা সুপার কে ও দেবহাটার থানা পুলিশের সহযোগিতা কামনা করে। ভুক্তভোগী বিকাশ এজেন্ট ফিরোজ কবির এক অসহায় পরিবারের
