শরীয়তপুর প্রতিবেদক
ছয় বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও শরীয়তপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম। জরাজীর্ণ হাসপাতাল ভবনের বেশ কয়েকটি স্থানে বিম ও কলামের নিচে লোহার খুঁটি দিয়ে রাখা হয়েছে। এতে সব সময় আতঙ্কিত থাকেন রোগী, স্বজন ও হাসপাতালে কর্মরতরা। যেকোন সময় দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে।
গণপূর্ত বিভাগ বলছে, নতুন ভবনে হাসপাতালটি স্থানান্তর করা হবে।
১৯৮৫ সালে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালটির একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। যা পরবর্তীতে ২০০৩ সালে তিন তলা ভবন নির্মাণের পরে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ২০১৭ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই হাসপাতালের নিচতলার ১৭টি স্থানের ছাদের পলেস্তারা একসাথে খসে পড়ে। সে সময়ে গণপূর্ত বিভাগ ও জেলা প্রশাসন হাসপাতালটি পরিদর্শন করার পরে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করেন। তবে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে স্বাস্থ্যসেবা কর্যক্রম।
বিভিন্ন স্থান দিয়ে পলেস্তারা খসে পড়ায় ভবনের অন্তত দশটি স্থানে বিম ও কলামের নিচে বসানো হয়েছে লোহার খুঁটি। এতে রোগী, চিকিৎসকসহ হাসপাতালের সকল কর্মী থাকেন আতঙ্কে।
জেলার গণপূর্ত বিভাগ বলছে, হাসপাতালের জন্য ৮তলা বিশিষ্ট একটি ভবনের নির্মাণ কাজ চলমান। শেষ হলে দ্রুত সেখানে হাসপাতালের কার্যক্রম স্থানান্তর করা হবে।
২০২১ সালের জুনে শুরু হওয়া নতুন হাসপাতাল ভবনটির কাজ এবছর জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিলো। গণপূর্ত বিভাগের দাবি, আগামী দুই মাসের মধ্যেই শেষ হবে এর নির্মাণ কাজ।
