রাজারহাট প্রতিবেদক
গত ০২ বছরের ব্যাবধানে কুড়িগ্রাম জেলা রাজারহাট উপজেলার ০২টি ইউনিয়নের তিস্তা নদীর গর্ভে প্রায় ৪০০ শতাধিক ঘড়বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নেই কোন স্থায়ী সমাধান। প্রতিদিন তিস্তা পাড়ের মানুষের কান্নার আহাজারি আওয়াজ পাওয়া যায় । বাপ-দাদা ও পৃর্ব পুরুষের রেখে যাওয়া ঘরবাড়ি ও আবাদি জমিসহ নানা সরকারী বেসরকারী স্থাপনা তিস্তা নদীর পেটে চলে গেছে। তিস্তা নদী সবকিছু কেড়ে নিয়ে বর্তমানে তারা নদীর পাশ্ববর্তী বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনদের কাছে আশ্রয় নিয়েছে। কেউ আবার খোলা আকাশের নিচে ঝুপরি ঘড় বানিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে প্রায় ২০০০ হাজার মানুষ। ঠিকমতো একবেলা খেতে পারে না।
তিস্তা পাড়ের মানুষের কাছে এমপি মন্ত্রী জনপ্রতিনিধিরা এসে শুধু আশ্বাস দিয়ে যায়, যার কোনটি এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। নিরব ভূমিকা পালন করছে কুড়িগ্রামের স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড। নামমাত্র নিম্ন মানের জিওব্যাগ ও অল্প পরিমাণে বালু দিয়ে নদী ভাঙ্গন চেষ্টা করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারগন।
তিস্তা পাড়ের মানুষের একটাই দাবী নদী ভাঙ্গন রোধে সরকার এবং সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নদী ভাঙ্গনের প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান।
