দিরাই -শাল্লা উপজেলা প্রতিনিধি
তৌফিকুর রহমান।
এডভোকেট অবনী মোহন দাস বলেন,
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ -২ ( দিরাই-শাল্লা ) আসন থেকে এমপি নির্বাচন করতে চান। তৃনমূল নেতা এডভোকেট অবনী মোহন দাস তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ আ’লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়। স্থানীয় পর্যায়ে একবার বিপুল ভোটের ব্যাবধানে শাল্লা উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আওয়ামীলীগ এর রাজনীতিতে সততা ও দলের প্রতি একনিষ্ঠতার কারণে পর্যায়ক্রমে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সাবেক স্বাস্হ্য বিষক সম্পাদক, সহ-সভাপতি, বর্তমানে উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হন।
বর্তমানে তিনি দিরাই শাল্লার মানুষের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ ,বিভিন্ন প্রয়োজনে মানুষের কাছে যাচ্ছেন , সেই সাথে প্রতিনিয়ত ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা করছেন। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী।
তিনি বলেন আ’লীগ পরিবারের সন্তান হওয়ার কারণে দলের চরম দূর্দিনের সময় তিনি ও তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন সময় জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধু তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতির প্রতি প্রচণ্ড আত্ববিশ্বিাসী। জনসেবায় নিজেকে সব সময় জড়িয়ে রেখছি।
আমার ব্যক্তিগত অফিস, রাজনৈতিক কার্যালয়ে আপনারা গিয়ে দেখেন, প্রতিনিয়ত উপচে পড়া মানুষের ভিড়। এলাকার মানুষ যে কোন বিপদে আমার কাছে আসলে আমি কখনোই তাদেরকে নিরাশ করি না। আমি রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণের জন্য আমি রাজনীতি করি মানুষের বিপদে নিজেকে পাশে রাখার জন্য। যতদিন বেঁচে থাকব এই মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব।
কেন এমপি হতে চান?? এমন প্রশ্নের জবাবে এডভোকেট অবনী মোহন দাস বলেন, আমি তৃণমূলের সেবার জন্য নিজকে বিলিয়ে দিয়ে আসছি মৃত্যুর পূর্ব মূহুর্ত পর্যন্ত যেন জনগণের ভালবাসায় সিক্ত হতে পারি। আর নিজের ভালবাসর মাধ্যমে ওদের কাছে প্রকাশ করতে পারি।জীবন বিসর্জন দিয়েও হলেও ওদের সাথে মিলেমিশে কাজ করতে পারি, সেজন্য দিরাই-শাল্লার মানুষ যদি চায় তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আপনাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দেবেন না। আপনাদের ইচ্ছা আর ভালবাসার বহিঃপ্রকাশেই আমার জনপ্রধিনিত্ব করার মূলমন্ত্র। আপনাদের আর্শীবাদ/ দোয়া যদি সাথে থাকে তাহলে আমি মনোনয়ন আমি পাবো। এই অবহেলিত দিরাই শাল্লাকে স্মার্ট বাংলাদেশের আওতায় আনার জন্য। একজন আ’লীগের দক্ষ,অভিজ্ঞ সংঘটকের প্রয়োজন আমি মনে করি।
