
সংবাদদাতাঃ
গত ৮ই নভেম্বর রোজ বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলাধীন বাসুদেব ইউনিয়নের চান্দি পূর্ব পাড়া জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ আব্দুল্লাহ মক্তবের ছাত্র মেহেদী হাসানকে বেয়াদবির কারণে শাসন করায় অভিভাবক কর্তৃক মারধরের স্বীকার হয়েছেন।
এবিষয়ে ইমাম আব্দুল্লাহ’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযুক্ত মেহেদী প্রায় দিনই তার বন্ধুদের নিয়ে মক্তব চালাকালীন সময়ে মসজিদের অজু খানায় আড্ডা দেয়। সময় অসময় এসে বিরক্ত করে। গান বাজায় এবং অজু খানায় জুতা নিয়ে নোংরা করে। ইমাম নিষেধ করলে তার সাথে মেহেদী খারাপ ব্যবহার করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ইমাম তাকে একটি বেতের বাড়ি দিলে কিছুক্ষণ পর তার বাবা এসে ইমামকে চড় থাপ্পড় ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে ইমামের নাক মুখ দিয়ে রক্ত আসা শুরু হয়। এলাকায় বিষয়টি ছড়িয়ে পরলে জনসাধারণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।স্থানীয় মুসল্লী ও জনসাধারণ তিব্র নিন্দা জানায় ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে শালিশে বসার সিদ্ধান্ত নেয়। এলাকার যুব সমাজ ঐ অভিভাবকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এরই মধ্য দিয়ে অভিযুক্ত ছাত্রের বাবা মিছিলকারীদের বিরুদ্ধে থানায় বাড়িঘর ভাংচুরের অভিযোগ জানালে এলাকায় প্রশাসন এসে বিষয়টির তদন্ত করে।
এদিকে আগামী ১৮ই নভেম্বর রোজ শনিবার প্রশাসনের সহায়তায় নির্যাতিত ইমামের সুবিচার নিশ্চিত করার লক্ষে শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিল বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান মুফতি শামীম মজুমদার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা যায়।
এলাকাবাসী ও ইমামের দাবি হলো আলোচিত বিষয়টার যেন সুষ্ঠু বিচার ও সমাধান হয়।