
নিজস্ব প্রতিবেদক
অনেকটা সাদামাটাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে শুরু হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর। কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই তো কি হয়েছে! ক্রিকেট যে দিনশেষে মাঠেরই খেলা, মাঠের পারফরম্যান্সেই এর আসল সৌন্দর্য্য– সেটাই যেন জানান দিলো আইসিসির দুই সহযোগী দেশ কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র। সহযোগী দেশ হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৯৪ রান তুলেছিল কানাডা, যা যুক্তরাষ্ট্র ১৪ বল এবং ৭ উইকেট হাতে রেখেই জিতেছে। এতে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে জয়সহ তছনছ হয়ে গেল একঝাঁক রেকর্ড!
বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র কেমন ফর্মে আছে সেটি তাদের সাম্প্রতিক দুই সিরিজ দেখলেই টের পাওয়া যায়। কানাডাকে ৪–০ ব্যবধানে সিরিজ হারানোর পর তারা আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশ বাংলাদেশকে হারায় ২–১ ব্যবধানে। বলতে গেলে উড়ন্ত ফর্মেই আছে মেগা আসরের স্বাগতিকরা। যে ফর্ম তারা বিশ্বকাপেও টেনে নিয়ে এসেছে। যদিও কানাডা প্রথমে ব্যাট করে রেকর্ডগড়া ইনিংসে ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত দেয়।
তাদের সেই লড়াই ভেস্তে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সহ–অধিনায়ক অ্যারন জোন্স ও আন্দ্রিয়েস গুসরা। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুজন মিলে তুলেছেন ১৩১। ওভারপ্রতি রান এসেছে ১৪.২৯ গড়ে, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যেকোনো সেঞ্চুরি জুটির সর্বোচ্চ রানরেট। শেষ পর্যন্ত জোন্স ৪০ বলে ছক্কার রেকর্ড গড়ে ৯৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৪৬ বলে ৬৫ রান করেন গুস।