
রূপগঞ্জ ঃ “ কোথাও ভাঙ্গাচোরা, কেথাও হাটু পানি, খানা খন্দকে ভরা রূপগঞ্জের ডেমড়া কালিগঞ্জ সড়কটি। নির্মাণ কাজ চলছে। কোথাও উচা কোথাও নীচা , মাঝখানে পেক আর কাদা, সাদামাটা জনগনের ভোগান্তি খাড়া। ২ যুগ ভোগান্তির পর সংস্কার, মেরামতের কাজ ২ বছর আগে শুরু হলেও অর্ধেক কাজও হয়নি। শিক্ষার্থীরা সময় মত স্কুল কলেজে যেতে পারছে না। রাস্তায় গাড়ী চলে হেলেদুলে। প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটছে। এ কারণে যানজট যেন স্থানীয়দের নিত্য সঙ্গী। একমাত্র সরকারী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সেও রোগীরা যাতায়াত করতে পারছে না, রাস্তার কারনে।” কথাগুলো রাগতস্বরে বলছিলেন উপজেলার টানমুশরী এলাকার সেলিম মিয়া।
৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ কাজ চলছে রূপগঞ্জের ডেমরা কালীগঞ্জ সড়কের পূর্বাচল পর্যন্ত। মুশুরী ফজুরবাড়ি থেকে পূর্বাচলের হাবিবনগর পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কে ৪ কিলোমিটার পাকা হলেও দুইস্থানে ২ কিলে ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ কাজ চলছে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ডেমরা কালীগঞ্জ সড়কের পূর্বাচল পর্যন্ত। মুশুরী ফজুরবাড়ি থেকে পূর্বাচলের হাবিবনগর পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কের ৪ কিলোমিটার পাকা হলেও দুইস্থানে ২ কিলোমিটার জুরে গর্ত আর ভাঙ্গা থাকায় যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে সড়কটি। প্রতিদিন কাঁদায় আটকে বন্ধ হয়ে যায় সড়ক। এতে কওে লক্ষ্যাধিক মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সড়কের ভক্তবাড়ি এলাকায় সড়কের দুপাশে পানির ড্রেন আর রূপগঞ্জের ফজুর বাড়ি এলাকায় বিদ্যুৎ খুঁটি ও কালভার্টের কারনে সড়কের মাঝখানে পড়ে আছে কাঁদামাটি। বর্ষায় অব্যাহত বৃষ্টির কারনে এসব মাটির উপর দিয়ে গাড়ী চলাচলের কারনে প্রতিদিন গাড়ী আটকে যায়।
এতে উভয়পাশে সৃষ্টি হয় যানজট। আবার স্থানে স্থানে পানি জমার কারনেও অচল থাকে সড়কটি। বিকল্প সড়ক না রেখে এমন নির্মাণ ভোগান্তি বাড়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সড়ক দেবে গেছে।
ভক্তবাড়ি এলাকায় সড়কে ফেঁসে যাওয়া ট্রাক চালক আল আমিন বলেন, গত রাত ১১ টার দিকে এখানে নরম মাটিতে চাকা দেবে গেছে। আরও কয়েকটি এমন হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তাদের কাছ থেকে ২ হাজার করে নিয়ে বেকু দিয়ে ধাক্কা দিয়ে তুলে দেয়। মনে হচ্ছে ওরা ইচ্ছে করেই গাড়ী ফাঁসিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
এসব বিষয়ে এনডিএ এর প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা কাজ করছি। থেমে নেই। তবে কিন্তু জায়গায় ড্রেন করতে গিয়ে জলাবদ্ধতা ও কাঁদা সমস্যা তৈরী হয়েছে। নির্মাণ কাজে একটু ভোগান্তি থাকবেই।
জ্ঙ্গাীরের শহিদুল্লা মিয়া বলেন, গত ২ বছর ধওে রাস্তার কাজ করছে। কি কাজ যে করছে ঠিকাদারের লোকজনই জানে। এষনও রাস্তায় শত শত ভাঙ্গা, স্থানে পানি জমে চলাচলে বিঘœ ঘাঁচ্ছে।
আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চাদনী আক্তার বলেন, পেক পানিতে রাস্তা এশাকার, সময় মত স্কুলে যেতে পারি না।
রূপগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রোমানুর নাহার বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতায়াতের জন্যে একমাত্র সড়ক এটি। সড়কটির নির্মাণ কাজ চলছে। কিন্তু বিকল্প সড়ক রাখা হয়নি। তবে আনন্দ হাউজিং এর সড়ক দিয়ে অনেকে যাতায়াত করেন। তবে সেখানেও বাঁশ দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে।
এসব বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি প্রধান প্রকৌশলী মুরশেদ উল আল আমিন বলেন, বৃষ্টির কারনে সাময়িক সমস্যা তৈরী হয়েছে। আর বিদ্যুৎ খুঁটি না সরানোর কারনেও সড়কটি নির্মাণে দেরী হচ্ছে। তবে এ ভোগান্তি দূর হবে শীঘ্রই।####