
স্টাফ রিপোর্টার
গত ১১ জানুয়ারি ২০২৫ সন্ধ্যা ৫ টার সময় কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা সদরপুরের সাবেক সেনা কর্মকতা আবু দাউদ ও মাসুমা খাতুন দম্পতির এক মাত্র কন্যা শাহানাজ তাবাসসুম (৩৪) এর ঢাকার বাসায় রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার বাসা থেকে ঝুলন্ত মর’দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উত্তরা ১৮ নাম্বার সেক্টরের কলাবতী ভবন থেকে ওই গৃহবধূ তাবাসসুমের মরদেহ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। পরে সন্দেহভাজন স্বামী নাহিদ হাসনাতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। নিহত শাহানাজের বাবার সাথে কথা বললে তিনি জানান বিবাহের পর থেকেই আমার কন্যার পারিবারি কলহ চলছিলো।গতকাল একটার সময় আমার মেয়ের সাথে কথা হয়েছে সে বলেছিল আমি কখনো ভুল করবোনা আমি আত্মহত্যা করব না তুমি চিন্তা করো না।একথা বলে লাইন কেটে দেয়। তারপরে আমি বেলা আনুমানিক দুইটার দিকে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে শাহনাজের মোবাইল বন্ধ পাই।
নিহতের মায়ের সাথে কথা বললে তিনি দাবি করেন যে আমার মেয়ের উপর অত্যাচার করা হয়েছে এবং পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। নিহতের মা আরো বলেন তার জামাইয়ের বাহিরে অনেক মেয়ের সাথে অনৈতিক পরকিয়ার সম্পর্ক ছিল,এরই সূত্র ধরে বিয়ের পর থেকেই আমার মেয়ের উপর বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করে আসছিলো।
মাত্র ১ মাস ২৫ দিন আগে শাহনাজ তাবাসসুম এর বিয়ে হয় নাহিদ হাসানের সাথে। ভালোবেসে বিয়ে করেন তারা।
নাহিদ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা সদরপুরের মৃত মাহবুব হোসেনের ছেলে।
নিহত শাহনাজ এর মা মাসুমা খাতুনের দাবি তার মেয়ে কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে আালানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শ্বশুর বাড়ির লোকজন।
ঘটনা সম্পর্কে ঢাকার তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন ইতিমধ্যেই তারা সন্দেহভাজন ভাবে নিহতের স্বামী নাহিদ কে গ্রেফতার করে সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তীতে তদন্ত করে আইনানানিগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।