
রানা ইস্কান্দার রহমান।
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।
কত টাকা পয়সা কতনা ভাবে নষ্ট হয়ে যায়,আপনাদের একটু সহায়তায় বাঁচতে পারে একটি অসহায় পরিবারের একটি ছোট শিশু। যে আজও দুনিয়ার স্বাধ বুঝলো না অথচ অসুস্থ্যতায় এ সুন্দর দুনিয়া হতে বিদায়ের পথে। সামর্থ্য অনুযায়ী একটি শিশুর প্রান রক্ষায় এগিয়ে আসুন।
স্বাভাবিকভাবে সবার হৃদযন্ত্র থাকে বামদিকে কিন্তু ফুটফুটে শিশু সাদাত এর হৃদযন্ত্র রয়েছে ডান দিকে, তা আবার উল্টো দিকে বাঁকা ও ঝুলন্ত অবস্থায়,শুধু তাই নয় হৃদয়ে ফুটো নিয়েই জন্ম তার, রক্তনালীও চিকন। তার চিকিৎসা চলছে জন্মের দুই মাস পর থেকেই।
ঢাকায় বেশ কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে ড, দেবাশেটি চিকিৎসাধীনে পরপর ছয়বার চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাকে। এখনো হৃদয়ে যন্ত্রনা বয়ে বেড়াচ্ছে প্লে শ্রেনীর এই শিক্ষার্থী। বাংলাদেশ ও ভারতে তার চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে অনেকটা নি:স্ব হয়ে পড়েছেন সাদাতের বাবা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মরত তাজুল ইসলাম। ছেলেকে বাঁচাতে ভারতের বিশিষ্ঠ চিকিৎসক ডা: দেবীশেঠী দ্রুত বাইপাস সার্জারীর পরামর্শ দিয়েছেন।
শিশু সাদাতের রক্তনালী খুবই চিকন, এমন রোগ খুব কম সময় দেখা যায় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তার চিকিৎসার জন্য ৩০ লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন। ছেলেকে বাঁচাতে সহায় সম্বল বিক্রি করেও কোন কুলকিনারা পাচ্ছেন না সাদাতের বাবা-মা। তাইতো ছেলেকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন।
বগুড়া সদরের এরুলিয়া এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহ আল সাদাত ২০১৮ সালের ২২ শে অক্টোবর জন্মগ্রহন করে। বর্তমানে জীবিকার তাগিদে তারা গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে অবস্থান করছেন, সাদাত সেখানে দারুস সালাম ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
সমাজের সামর্থবানদের সহযোগিতায় বেঁচে যেতে পারে ছোট সাদাতের জীবন, হাসি ফিরবে শিশুটি ও তার অসহায় বাবা মায়ের মুখে। তাকে সহযোগিতার জন্য….