বিল্লাল হোসেন,যশোর প্রতিনিধি
নাওয়াদ জামান বরিশা (১৯)। ৯ মাস আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন আরশিল কবীরকে। কিন্তু সেই সংসার বেশি দিন করা হলো না তার। শনিবার রাতে তার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করলো পুলিশ। স্বামী পক্ষের দাবি আত্মহত্যা হলেও পিতার অভিযোগ বরিশাকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই গৃহবধূর স্বামীসহ ৪ জনকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বরিশা যশোরের মণিরামপুর উপজেলার বালিধা পাঁচাকড়ি গ্রামের আজমত ফকিরের ছেলে আরশিল কবিরের স্ত্রী।
নেহালপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (এসআই) আতিকুজ্জামান জানান, রাত ১১ টার দিকে জানতে গৃহবধূ বরিশার মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারেন। গভীর রাতে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। রোববার ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ পাঠানো হয় যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে। ময়নাতদন্ত শেষে পিতা পক্ষের স্বজনদের কাছে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
বরিশার পিতা সদর উপজেলার ভায়না গ্রামের বাসিন্দা ও বাঘারপাড়া উপজেলার ছাতিয়ানতলা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের অভিযোগ, ৯ মাস আগে প্রেম করে বিয়ে করে তার মেয়ে বরিশার ওপর কৌশলে নির্যাতন করা হতো। শনিবার রাতে স্বামী-শাশুড়ি মিলে তাকে হত্যা করেছে। ঘটনা ভিন্ন খাতে নিতে মৃতদেহ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে। মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মনিরুজ্জামান জানান, বরিশার মৃত্যুর ঘটনায় তার স্বামী শাশুড়িসহ ৪ জনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক অবস্থায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মেয়ের পিতা পক্ষ অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
