
লোহাগাড়া উপজেলা প্রতিনিধি
চুনতি ইউনিয়নের হাটখোলা মুড়া ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বার্মাইয়া জুবাইর পিতা মো সৈয়দ মাতা হালিমা বেগম ২০১৭ সালে বার্মা মিয়ানমারের বুচিদং মন্নান পাড়া থেকে বালু খালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাড়ি জমায়।।
তাহার জন্মদাতা পিতা আবু আহম্মদ মাতা আনোয়ারা বেগম বর্তমানে কুতুপালং ক্যাম্পে জি কে হাসপাতালের পাশে বসবাস করে। রোহিঙ্গা মো জুবাইর বালুখালী ক্যাম্প থেকে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে লোহাগাড়া উপজেলা আমিরাবাদ দয়ার পাড়াএসে পারভিন নামে এক বার্মাইয়া মহিলাকে বিয়ে করে বসবাস শুরু করে কিছুদিন পর আজিজ নগর স্থানীয় এক ব্যাক্তিকে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে ভুয়া মা বাবা সাজিয়ে ভোটার হয়।যার ভোটার নং-৭৩৩৮১৫৪০০৩
পরে চুনতি ৪ নং ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত হয়, সেখানে আরেকটি বিয়ে করে যার নাম জেসমিন আক্তার কলিকে ২য় স্ত্রী হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।। ২য় স্ত্রীর বড়ভাই মালয়েশিয়া প্রবাসী জোবায়েরের থেকে আই এফ আাই সি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা হলাদ নিয়ে জায়গা ক্রয় করে এক দৃস্টি ননদন বিলাসবহুল বাড়ি নির্মান করে।।
অনুসন্ধানী তথ্য অনুযায়ী বার্মাইয়া জুবাইর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে নারী পুরুষ নিয়ে এসে নির্বাচনী অফিসের অসাধু কর্মকর্তার সাথে লাখ লাখ টাকার চুক্তিতে ভোটার আইডি কার্ড ও পাসপোর্ট বানিয়ে মধ্যপ্রাচ্য বিভিন্ন দেশে পাচার করছে বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া যায় ।।
দ্বিতীয় স্ত্রী জেসমিন আক্তার কলির সাথে দীর্ঘ ১০ বছর সুখের সংসারে ৭ বছরের আদরুল ইসলাম সামি নামে এক সন্তান রয়েছে ।। কিছুদিন আগে আবার ও ৬ মাসের গর্ভবতী হয়। তার স্বামী বার্মাইয়া জুবাইয়ের কুকীর্তি যখন সে জানতে পেরে প্রতিবাদ করে সাথে সাথে স্থানীয় মহিলা নেত্রী ( নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ও বড় ছেলে মিসবাহ উল সামিসহ লোহার রড দিয়ে বেধড়ক পেটায় তার গর্ভে থাকা বাচ্চা মৃত অবস্থায় প্রসব করে। দীর্ঘ ১ মাস চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে বাড়ীতে ফিরে এসে চট্টগ্রাম চিপ জুডিশিয়াল আদালতে হাজির হয়ে মামলা করে যার মামলা নাম্বার – ১৬৭/২০২৬ ইংরেজি।
তথ্য অনুযায়ী আরও অভিযোগ পাওয়া যায় মামলা রুজু করার সাথে সাথে রোহিঙ্গা জুবাইর ক্ষিপ্ত হয়ে ২য় স্ত্রী জেসমিন আক্তার কলিকে তালাক দিবে বলে হুমকি দিয়ে মারধর করে এবং বলে তোর বাপের বাড়ি থেকে আরো দুই লাখ টাকা এনে দে না হলে আগের ত্রিশ লাখ টাকা ও দিব না তোকে তালাক দিব।
আর কোন উপায়ন্তর না দেখে সাতকানিয়া পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আরিফুল সিদ্দিকী স্যারকে বিস্তারিত খুলে বললে স্যারের নির্দেশে লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল জলিল স্যারের সহযোগিতায় মামলা রুজু করি যার মামলা নম্বর ১৭/২০২৬ ধারা ১১( গ)/৩৯ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী-২০২৫ তৎসহ ৪৯৫ পেনাল কোড ১৮৬০।।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মং এছেন বলেন রোহিঙ্গাদের অবৈধ ভোটার ঠেকাতে সরকার খুবই কঠোর অবস্থানে যদি লিখিতভাবে অভিযোগ পাই তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নিব।।
স্থানীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইয়াছিন মাঝি থেকে জানতে চাইলে বলেন তার ওয়ার্ডে কিভাবে ভোটার হয়েছে তার জানা নেই। মো জুবাইর এর পিতা মাতার কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় নি।।