
নীলফামারী প্রতিনিধি:
’ফুয়েল কার্ড’ ইস্যুতে অন্যান্য বৈধ কাগজপত্রের পাশাপাশি মোটর বাইকের রেজিষ্ট্রশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামুলক হওয়ায় গেল এক মাসে শিক্ষানবিস (লার্ণার) ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন করেছেন জেলার প্রায় ৭ হাজার বাইক চালক।
বিআরটিএ’র সূত্র বলছে, জেলার ৬টি উপজেলায় রেজিষ্ট্রার্ড বাইকের সংখ্যা মোট পঞ্চাশ হাজারের উর্ধ্বে। প্রতি নিয়তই ক্রমান্বয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বেড়েছে শিক্ষানবিশ (লার্ণার) ড্রাইভিং লাইসেন্স এর সংখ্যাও। ’ফুয়েল কার্ড’ ইস্যুতে গেল ১ মাসে শিক্ষানবিশ (লার্ণার) ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ৭ হাজার।
জানতে চাইলে, বাংলাদেশ রোড ট্রাভেলস অথোরিটি (বিআরটিএ) নীলফামারী সার্কেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনীয়ার এস.এম মাহবুবুর রহমান বলেন, “গেল ১ মাসে শিক্ষানবিশ (লার্ণার) ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করেছেন জেলার প্রায় ৭ হাজার বাইক চালক। প্রতিদিনই ক্রমান্বয়ে বাড়ছে শিক্ষানবিশ (লার্ণার) ড্রাইভিং আবেদনের সংখ্যা। ড্রাইভিং এর পরীক্ষাগুলোও হচ্ছে নিয়মানুসারে। কোন ধরণের জটিলতা ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্স গুলো সেবা প্রত্যাশিদের কাছে সরবরাহ হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে, শুধুমাত্র শিক্ষানবিশ (লার্ণার) ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন দিয়ে বেশি সময় ধরে ’ফুয়েল পাশ কার্ড’ নিয়ে চলা যাবে না। নির্ধারিত মেয়াদে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হতে হবে”।