
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি
রাহিদ রানা
টাঙ্গাইলের মধুপুরে শরীকদের জমি আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ২২ আগস্ট সকালে মধুপুর প্রেসক্লাবে সংবাদের সম্মেলনের আয়োজন করে ভ’ক্তভোগী পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভ’ক্তভোগী লাবনী আক্তার, লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি জানান, মধুপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পুন্ডুরা গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিন খান এর ছেলে বজলুর রশিদ খান চুন্নু শরিকদের জমি জমা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করিয়াছে।
এসময় তিনি আরো জানান বজলুর রশিদ খান তিনি কাউকে না জানিয়ে গোপনে গোপনে শরীকদের জমি ক্রয় করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বিগত পতিত আওয়ামী সরকারের আমলে সকল সুবিধা নিয়ে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন সময় শরীকদের ও অন্যান্য মানুষের ভূমি ভুয়া কাগজপত্র করে আত্মসাৎ করে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মৌজায় মধুপুরের ০৭নং ওয়ার্ডের পুন্ডুরা গ্রামের বজলুর রশিদ খান তিনি কাউকে না জানিয়ে গোপনে গোপনে শরীকদের জমি ক্রয় করে বির্তক সৃষ্টি করে দূর্নীতিবাজ, ভূমিদস্যু বটে, (চুন্নু) গং মৃত আফাজ উদ্দিন খান এর একমাত্র ছেলে বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সকল সুবিধা নিয়ে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন সময় শরীকদের ও অন্যান্য মানুষের ভূমি ভুয়া কাগজপত্র করে আত্মসাৎ করে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মৌজায় শরীকদের ও অন্যান্য মানুষের জমি জমা ভূয়া কাগজপত্র দিয়ে আত্মসাত করে। সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ক মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী শরিকগন আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশী এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেনি পেশার নারী পুরুষ অংশ নেয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শরিকদের প্রতিনিধি মোনছের আলী খান, ছানোয়ার হোসেন খান, ফারুক খান, শিরিনা খানম, হবি খান, বিল্লাল খান, লাবনী খানম, ফিরোজা আক্তার, মিনা, মমতা আক্তার, আশিক খান, আজহার আলী, মুক্তার আলী, আলম, জলিল, রফিকুল ইসলাম (প্রতিবন্ধী) সহ অন্যান্যরা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, বজলুর রশিদ খান চুন্নু পতিত আওয়ামী সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে শরিকদের জমি প্রতারণার মাধ্যমে নিজেদের নামে রেকর্ড নিয়েছে। রেকর্ড সংশোধনের কথা বললে তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের হুমকি দেন। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। বক্তারা পতিত আওয়ামী সরকারের দোসর আখ্যা দিয়ে বজলুর রশিদ খান চুন্নু এবং সহযোগী ইব্রাহিম সকল সহযোগীকে তদন্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। এলাকাবাসীর দাবি এটি শুধু একটি ব্যক্তিগত প্রতারণার ঘটনা নয়, বরং সমাজের দুর্বল ও অসহায় মানুষের সঙ্গে কি ধরনের আচরণ করা হয় তার একটি উজ্জল দৃষ্টান্ত। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ও জমি পুনরায় রেকর্ড করে দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানান।