
টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি
রাহিদ রানা
টাঙ্গাইলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের মারধর, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া, হেনস্তা ও ক্লিনিকের ভেতরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা ক্লিনিকের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গণমাধ্যমকর্মী মো. সোহেল রানা টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইল সদর থানাধীন ঢাকা ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদরাতুল কুরআন অ্যান্ড ব্রাইট ফিউচার স্কুলের এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে হাত ভেঙে গুরুতর আহত করার অভিযোগ ওঠে। পরে ওই শিক্ষার্থীকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার কথা বলে পরে তাকে ঢাকা ক্লিনিকে নেওয়া হয়। এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহের জন্য সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সোহেল রানা, তার সহকর্মী মো. শহিদুল ইসলাম টিটু ও দৈনিক যুগ যুগান্তরের গণমাধ্যমকর্মী তানিয়া ইসলাম ঢাকা ক্লিনিকে যান।
অভিযোগে বলা হয়, সংবাদ সংগ্রহের সময় ঢাকা ক্লিনিকের ম্যানেজার মো. সরোয়ার, মার্কেটিং কর্মকর্তা মো. ওমর বাবু, সহকারী ম্যানেজার কৃষ্ণ ঘোষ এবং এক চিকিৎসকের সহকারী মো. মশিউর রহমান তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেন। একপর্যায়ে তাদের মারধর করে ক্লিনিকের ভেতরে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীর দাবি, কৃষ্ণ ঘোষের নির্দেশে ম্যানেজার সরোয়ার নারী গণমাধ্যমকর্মী তানিয়া ইসলামের কাছ থেকে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং তাকে হেনস্তা করেন। এ সময় ওমর বাবু ক্লিনিকের গেট বন্ধ করে দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্ধার করে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, পুনরায় সংবাদ সংগ্রহে গেলে তাদের হত্যা করে লাশ গুম করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী গণমাধ্যমকর্মীরা।
তবে অভিযোগে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।