
বগুড়া ব্যুরো
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকরা নীতিমালার আলোকেই নিজ নিজ উপজেলার বিদ্যালয়গুলোতে পদায়ন পাবেন। তবে কোনো উপজেলায় যদি পদ খালি না থাকে, তবে নীতিমালা অনুযায়ী পার্শ্ববর্তী উপজেলায় পদায়ন দেওয়া হবে। পরবর্তীতে সরকারি বিধি অনুযায়ী বদলির সুযোগ থাকলেও বর্তমানে কোনো ধরনের তদবির বা অনিয়ম এড়াতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছ পদায়ন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে সহায়তা করার জন্য তিনি ডিপিও এবং জেলা কমিটির সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানে সার্বিক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিও) কর্মকর্তা রেজোয়ান হোসেন। তিনি বলেন, মেধা তালিকার ভিত্তিতে বগুড়ায় ৩৬০ জন শিক্ষককে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য মনোনীত করা হয়েছিল। এর মধ্যে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিক তালিকা থেকে ২৭৯ জন শিক্ষক চূড়ান্তভাবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করেন। ইতোমধ্যেই তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।
রেজোয়ান হোসেন বলেন, লটারি প্রক্রিয়ার জন্য দুটি পৃথক বক্স রাখা হয়। একটি বক্সে শিক্ষকের নাম এবং অপর বক্সে শূন্য পদ থাকা বিদ্যালয়ের নাম রাখা হয়। প্রথমে শিক্ষকের নাম এবং পরপরই বিদ্যালয়ের নাম লটারির মাধ্যমে তুলে পদায়ন নিশ্চিত করা হয়।
স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় পদায়ন হওয়ায় নবনিযুক্ত শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা, উপজেলা আইসিটি কমিটির সদস্য এবং অন্যান্য শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।