
বিকাশ বিশ্বাস
শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার দু’টি ভোটকেন্দ্রের ৪জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ মে) দুপুরে উপজেলার ৩নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্র ও হাউজিং স্টেস্ট ভোট কেন্দ্র থেকে তাদের প্রত্যাহার করা হয়।
প্রত্যাহারকৃতরা হলেন- ৩নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুস শহীদ কলেজের সহকারী গ্রন্থাগার মিরা শীল, উত্তর বরুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অঞ্জন দেব, দি বাডস্ রেসিডেনসিয়্যাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক সিরাজুন নেহার চৌধুরী এবং হাউজিং স্টেট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার প্রসান্ত কুমার দেব।
দুই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসাররা জানান, আমরা সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছিলাম যেন ভোটার আসার আগে কেউ ব্যালট-এ সিল না মারেন। কিন্তু তারা আগেই সিল মেরে রেখে দিয়েছিলো। পরে ম্যাজিস্ট্রেট এসে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এদের মধ্যে সদর ইউনিয়নের একজন এখনো দায়িত্বে রয়েছেন। অন্য সহকারী প্রিসাইডিং এলে তাকেও সরানো হবে।
এদিকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্তলে এসে সত্যতা যাচাই করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আয়েশা হক উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউএনও মো. আবু তালেবকে নির্দেশনা দেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য।
সহকারী রিটার্টিং অফিসার ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো আবু তালেব সকালে বলেন, ‘নির্বাচনকে অংশগ্রহণ মুলক ও সুষ্ঠু করতে আমরা কাজ করছি। এখন অব্দি কোন অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। আমরা দু’টি ভোট কেন্দ্র থেকে দায়িত্বে অবহেলার কারনে তাঁদেরকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নিয়েছি। নির্বাচনের জন্য ৪ প্লাটুন বিজিবি, পুলিশ, আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন, আনসার মোতায়েন করা হয়েছে।’
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উপজেলার ৯ টি ইউনিয়ন একটি পৌরসভা মিলিয়ে মোট ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪ শত ৪১ জন ভোটার রয়েছেন।