কুলাউড়া প্রতিনিধি-
(১৩ আগস্ট) এনিয়ে উপজেলাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।গ্রামবাসীর মধ্যে বইছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। ঘটনাটি কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের কৌলা গ্রামের। স্ত্রীর এমন প্রতারণায় হতভাগ ওই প্রবাসী। এ ঘটনায় জেলার কুলাউড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে, যার নং-৭৬৭।
জিডি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর পূর্বে রাউৎগাঁও ইউনিয়নের কৌলা গ্রামের মৃত নিয়ামত আলীর ছেলে আনোয়ার আলীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী উপজেলা জুড়ির জায়ফরনগর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের ফখরু মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের বিবাহ হয়। বিয়ের দুইমাস পরেই পরিবারের হাল ধরতে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমান স্বামী আনোয়ার আলী।
এরই সুবাদে পাশের বাড়ির ভাতিজা মৃত রহমত উল্লাহের ছেলে ইমন আহমদ পায়েলের (২১) সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে প্রবাসীর স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার। দীর্ঘ প্রেম প্রণয় শেষে গত ১৩ আগস্ট গভীর রাতে ভাতিজা ইমনের হাত ধরে প্রবাসীর কষ্টার্জিত নগদ টাকা-পয়সা, স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে ঘর ছাড়েন প্রবাসীর স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার।
এদিকে এ ঘটনার পর পুরো গ্রামজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রবাসে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েছে প্রবাসী আনোয়ার। তার পক্ষে ছোট ভাই আইয়ুব আলী বাদী হয়ে কুলাউড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
মুঠোফোনে প্রবাসী আনোয়ার বলেন, একদিন আগেও আমি ২০ হাজার টাকা পাঠিয়েছি। এরআগে প্রায় গচ্ছিত আড়াই লক্ষ টাকা নগদ ঘরে ছিল। বিয়ের স্বর্ণালংকার ছিলো ঘরে। সব নিয়ে আমার স্ত্রী পালিয়েছে ভাতিজার সাথে।
আক্ষেপ করে ওই প্রবাসী আরও বলেন, আমি অনেক কষ্ট করে টাকা ইনকাম করি। বিদেশে টাকা ইনকাম সহজ নয়। আমার জমানো সব কষ্টের টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে সে পালিয়েছে। তাও আমার ভাতিজার সাথে। এই লজ্জা রাখি কোথায়।
প্রবাসীর স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়ে তা বন্ধ পাওয়া যায়। একইভাবে বন্ধ পাওয়া যায় ভাতিজা ইমনের মুঠোফোন নাম্বার।
জিডি তদন্তকারী অফিসার কুলাউড়া থানার এএসআই মোহাম্মদ আলী বলেন, আমাদের কাছে নিখোঁজ জিডি আছে। এইটা নিয়ে কাজ করছি।
