
হাবিব চাটমোহর
একদিকে মাঠে মাঠে সরিষা ফুলে হুমায়ূন এর হিমুর সাজ। অন্য দিকে গাছুয়ারা খেঁজুর রস সংগ্রহ করায় ব্যস্ত,বিকেলে মাটির কলসি বিভিন্ন সরমঞ্জাম নিয়ে বেরিয়ে পড়ে নদীর কিনারায়,রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে
থাকা বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেঁজুর গাছের কাছে।রাত ভর কলসিতে মিষ্টি রস ফোঁটায় ফোঁটায় জমাহয়। কুঁয়াছন্ন ভোরে গাছি রস সংগ্রহ করে বাড়ী ফিরে,
শীতল রস ছেঁকে পান করে গ্রামীন মানুষ বিক্রি হয় শহরের অলিগলিতে..
রস দিয়ে তৈরী হয় নানা সাঁজের গুড়,পাটালী,ঝুলাগুড়,কোন পাটালী,মালোই পাটালী,তেমনী শুরু হয় সুস্বাদু গুড়ে পিঠা উৎসব,ভাপাপিঠা,পাটি শাপটাপুলি,রস,চিতই,পায়েশ ইত্যাদি।
তেমনী শীতের আমাজে মেতেছে চাটমোহর। বাড়ী বাড়ীতে শুরু হয়েছে পিঠা উৎসব আত্বীয় স্বজনকে নিমন্ত্রন করে খাওয়ানো হয় নানান রকম পিঠা পায়েশ,
দু’ তিনদিন ধরে চলে পিঠা আয়োজন।বিদায় বেলায় আত্বীয় কে দেয়াহয় নতুন উপহার সামগ্রী যেমন শাড়ী,লুঙ্গী শার্ট প্যান্ট পিচ,ও খেজুর রসের তৈরী,মজাদার গুড়।
গ্রামীন জনপদের মিলন মেলা এ যেন এক প্রাণের উৎসব।।