
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
রাত পোহালেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ। তবে নির্বাচনের আগেই আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।
এর মধ্যে ১১৫টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং বাকি ৭০টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ভোটগ্রহণ ঘিরে যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা সংক্রান্ত এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ১১৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৪৩টি ঝুঁকিপূর্ণ। রুহিয়া এলাকার ৩৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ২০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ১৩টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া ভূল্লী এলাকার ৩৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৪টি ঝুঁকিপূর্ণ।
নির্বাচন ঘিরে ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের উপনির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ডা. খাদেমুল ইসলাম, বটগাছ প্রতীকে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী এবং ডাব প্রতীকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।
প্রসঙ্গত, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আসনটিতে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।