
স্টাফ রিপোর্টার
হিমালয়ের কন্যা পঞ্চগড় জেলা বছরের শুরুতেই শীত যেনো জেঁকে বসেছে। এর কয়েক দিন তাপমাত্রা বেশি থাকায় আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে ছিল। কিস্তু গত কয়েকদিন হয় খুুব শীত পড়তে শুরু করেছে। বছরের শুরুতেই জেলার ৫টি উপজেলায় প্রচন্ড শীতের প্রভাব লক্ষ করা যায়।
গত দুই দিন থেকেই শীত তীব্রতা অনুভূত হয়। ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিলো আকাশ, সারাদিন সূর্যের দেখা মেলেনি। হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। যদিও বছরের এই সময় শীতের প্রভাব থাকে কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম নয়। শীত জেকে বসেছে পঞ্চগড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গত তিনদিন থেকেই হিমেল বাতাস বইতে থাকে। শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকে যার ফলে জনজীবলে বিরুপ প্রভার পড়তে শুরু করেছে। রাত বাড়ার পর থেকে বন্ধ হয়ে যায় শহর ও গ্রামের হাটবাজারগুলো। যতই রাত বাড়তে থাকে ঘন কুয়াশা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়তে পড়তে থাকে। সকাল থেকে ঘন কুয়াশা লক্ষ করা যায়।
সেই সংগে তীব্র শীত আর বাতাসের কারণে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে আসে। নিম্ন আয়ের মানুষগুলো ঠান্ডার জন্য কাজ করতে পারছেনা। সকাল থেকে কুয়াশায় ঢাকা ছিলো সারাদিন।
স্থানীয় সানা উল্ল্যা জানান যে তিনি একজন দিন মজুর কিন্তু ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে কোনো কাজ করতে পারছেনা। শরীর বরফের মত হয়ে যায়। কাজ করতে প্রচন্ড সমস্যা পোহাতে হয়।
আরো একজন বলেন, আটোরিকশা চালক যানান, অতিরিক্ত ঘন কুয়াশার শীতে যাত্রী একেবারে কমে গেছে। কারণ শীতের তীব্রতার ফলে যাত্রী না পাওয়ার তার উপার্জনের সমস্যার সম্মুখিন হতে হচ্ছে।
জানাযায়, যাদের দিনে কাজ না করলে বাজার করা সম্ভাব হয়না তারা তীব্র শীতের ফলে কাজে যেতে পারছেনা। ফলে প্রচন্ড সমস্যা পোহাতে হচ্ছে। কিন্তু তার পরেও কাজে যেতে হচ্ছে। কিন্তু কিছু সময় কাজ করার পর ঠান্ডার হাত অবাস হয়ে আসে কাজ করা যায়না।
স্থানীয় ব্যক্তি ডালিম কুমার যানান, যেলা কাজে যাছো একেলকা কঠিন ঠান্ডা লাগেছে, কি আর করিবা হোবে কাজ করিবা হোবে, কাজ না করিলে এলা খামে কি?। হামাতো অতো টাকা নাই, তাই কাজ করিবা হোবে।
গত কয়েকদিন যাবত অনেক ঠান্ডা, এই ঠান্ডা বিরুপ প্রভার পরেছে জনজীবনের উপর যার ফলে মানুষের ঠান্ডা জনিত রোগের প্রভাব বেড়েছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ বা প্রবিণ শ্রেণির মানুষের সমস্যা বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে। তাদের বয়স বাড়ার ফলে শীত অনেক অসুস্থতা লক্ষ করা যাচ্ছে।