
লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিভুক্ত “মধুমতী-নবগঙ্গা উপ-প্রকল্প পুনর্বাসন ও নবগঙ্গা নদী পুনঃখনন/ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় জরিমানার টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে লোহাগড়া শহরের একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মেসার্স তমা কনস্ট্রাকশন এন্ড কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধি তুষার কান্তি দাস।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, নবগঙ্গা নদীর দুই কিলোমিটার পুনঃখনন কাজ বাস্তবায়নের জন্য ২০২০ সালের ১৮ মার্চ নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে তাদের প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ লাভ করে। এরপর নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৮ এপ্রিল বিকেলে লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের তেলকাড়া এলাকায় কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তাদের নিয়োগকৃত প্রতিনিধির কাছ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। এ সময় কাজটি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনার পর জরিমানার টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ কর্মকর্তারা নড়াইল জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। জেলা প্রশাসক বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এছাড়া উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পের আওতায় খননকৃত বালি-মাটি ২০২২ সালের ৯ মার্চ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নিলামে বিক্রি করা হয়, যা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ক্রয় করেছে এবং এ সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র তাদের কাছে রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আগামী জুন মাসের মধ্যে পুনঃখনন কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বিভিন্ন কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তারা। এমন পরিস্থিতিতে জরিমানার টাকা দ্রুত ফেরত পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।