
নীলফামারী প্রতিনিধি:
সারাদেশে ঈদ উল আজহার বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রশাসনের তৎপরতা দেখা গেলেও, নীলফামারীতে দেখা গেছে এর উল্টো চিত্র।
শহরের বড় বাজার সংলগ্ন সওদাগর পাড়ার একটি পুকুর গত দুই বছর ধরে অবাধে ব্যবহৃত হচ্ছে ময়লা ও আবর্জনার ভাগাড় হিসেবে। পাশে রক্ষিত একটি উন্নত মানের ডাষ্টবিন থাকলেও তা ব্যবহার করা হচ্ছে না। আবর্জনার পাশাপাশি নতুন করে পশুর বর্জে্যর দুর্গন্ধে পথচারীদের হাটা-চলাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও একটি প্রভাবশালী পক্ষ নিয়মিত এখানে সব ধরনের বর্জ্য ফেলছে। বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হলেও মেলেনি কোনো প্রতিকার।
সারাবছরই দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। তবে কোরবানির ঈদ উপলক্ষে পশুর বর্জ্য যুক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন আশপাশের বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বর্জ্য পরিশোধনাগার থাকা সত্ত্বেও তা কার্যকরভাবে ব্যবহার না করায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। ফলে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যও পড়ছে হুমকির মুখে। অতিসত্বর এই পুকুর থেকে বর্জ্য অপসারণ এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য নীলফামারী পৌর প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
জানতে চাইলে, নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসক সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ‘আমরা এটি অবগত হবার পরেই কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছি। আগামী ২-১ দিনের মধ্যে ময়লা অপসারণ করে সমস্যার সমাধান করা হবে।’