
হাসান ভূঁইয়া,
বিশেষ প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ
সেতু থাকলেও নেই সংযোগ রাস্তা। সেতুর দুই পাশের মাটি ভরাট না থাকায় কোনো কাজেই আসছে না আর এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের অন্তত ২০ গ্রামের ৫ সহস্রাধিক মানুষ।
এই খালটি উপর ১ দশক আগে একটি দৃশ্যমান ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও এটি অতিক্রম করা মানুষের পক্ষে অসম্ভব। রেলের ৩২ নম্বর ব্রিজটি বাঘাছড়া খালের উপর অবস্থিত। হরষপুর থেকে কাশিমনগর পর্যন্ত রেললাইন পাশ্ববর্তী প্রায় ৬ কিলোমিটার রাস্তাটি দিয়ে স্থানীয়রা নিয়মিত চলাচল করে। কিন্তু রাস্তা থাকা স্বত্বেও সংযোগ সেতু না থাকায় এই রাস্তায় কোনো যানবাহন ব্যবহার করতে পারছেন না।
হরষপুর থেকে কাশিমনগর পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার রাস্তা যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত আছে। রাস্তা নির্মানের ১ যুগ পার হলেও জন-গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি কাজে আসছে না। ৬ কিঃমিঃ রাস্তা পারি দিতে, পেরিয়ে আসতে হয় ১২ থেকে ১৫ কিঃমিঃ পথ। এতে যেমন হয় অর্থের অপচয়, ব্যয়ও করতে হচ্ছে অতিরিক্ত সময়। বর্ষাকালে খালে পানি বেশি থাকায় জনসাধারণকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয় রেলের তক্তা দিয়ে। আর এই ব্রীজ পার হতে অসাবধানতায় প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে স্কুলগামী শিশু-কিশোর এবং বৃদ্ধরা। সেখানে সন্ধ্যার পর জনসমাগম কমে গেলে বেশ কিছু পেশাদার সন্ত্রাসী হরহামেশাই ঘটিয়ে থাকে চুরি-ছিনতাইয়ের মত ঘটনা। যোগাযোগের দুরবস্থার কারণে রাত বিরাতে জরুরী চিকিৎসা সেবা এবং পুলিশি সেবা পেতে এলাকাবাসীকে পোহাতে হচ্ছে নানা প্রতিবন্ধকতা।
এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। কৃষি নির্ভর এই গ্রামগুলোতে উৎপাদিত ধানসহ বিভিন্ন ফসলাদি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না।
সুষ্ঠু পরিকল্পনাহীন ব্রিজটি নির্মান হয়েছিলো ২০১৫ সালে। এলাকাবাসির চাওয়া জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত হবে সংযোগ সড়ক অবসান হবে ভোগান্তির।