
মনিরামপুর প্রতিনিধি
যশোর মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আঃ লতিফ দ্বারা মারপিটের শিকার আশুতোষ পাল নামে টক মুদি দোকানি। স্হানীয় সুত্রে জানাযায় বঙ্গবন্ধু মোরালের পাসেই আশুতোষ পালের মুদি দোকান।সেই সুত্র পাতে মাঝে মধ্যে মোরালের সিঁড়ির উপরে ভুষিমালের বস্তা রাখতেন আশুতোষ পাল।এছাড়াও যশোর (০৫) মণিরামপুর আসনে নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে সতন্ত্র প্রার্থীর সমার্থন দেওয়ায় এই কর্মকাণ্ড করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।এবিষয়ে যুব সমাজ ও সচেতন নাগরিক সাধারণ মানুষের মনে জন্ম নিয়েছে অধ্যক্ষ আঃ লতিফের প্রতি ক্ষোভ। তাদের দাবী বস্তা রাখার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী ভুমি অফিসের কাছে অভিযোগ দিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ ছিলো।সেখানে একজন অধ্যক্ষ হয়ে অশিল ভাষায় গালিগালাজ ও মারপিট করে নিজেই আইন হাতে তুলে নিয়েছেন অধ্যক্ষ আঃ লতিফ। এভাবে একজন মুদি ব্যাবসায়ী কে মারপিট করার বিষয়ে মোবাইল ফোনে আঃ লতিফের নিকট জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যম কে জানায়।আমি কয়েকদিন ধরে বঙ্গবন্ধুর মোরালের সিঁড়ির উপরে ভুষিমাল রাখতে নিষেধ করেছি।পুলিশ ডেকেও তাকে সাবধান করেছি কিন্তু তিনি শোনেননি। তাই আজ তাকে দু একটি চড় মেরেছি। দলীয় কোন্দলের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আশুতোষ কাকে ভোট দিবে আমি জানিনা।দলীয় বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
গালিগালাজের বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।এবিষয়ে মারপিটের শিকার আশুতোষ পাল জানায় আমার দোকানের পাসে প্রায় ১০ শতক জমিতে আমাদের প্রিয় নেতা জাতির জনকের মোরাল করাহয়েছে।আমার দোকানের কিছু ভুষিমাল পাইকারি কিনে এনে ওখানে রেখে পরে জাইগা করে ঘরে উঠায়।কিন্তু আজ অধ্যক্ষ আঃ লতিফ আমার উপর উত্তেজিত হয়ে মারপিট করেছে।আমার মারপিট করার আমি থানায় কোনো অভিযোক করিনাই।বলতে বলতে আশুতোষ পালের দু চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে আসে।
কিন্তু এবিষটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের তোড়পাড় দেখা যাচ্ছে।