
মারুফ আহম্মেদ, খুবি প্রতিনিধি
সাবিকুন্নাহার পপি পরিকল্পিতভাবে হত্যার স্বীকার হয়েছে শাশুড়ি ও জামাই কর্তৃক।পপি ছিলেন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী। পপি দীর্ঘদিন ধরে শাশুড়ি ও জামাই কর্তৃক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল এমনটাই জানিয়েছে তার পরিবার। পপির শাশুড়ি পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিয়েছে যে ,”সেমাইয়ের মধ্যে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে পরবর্তীতে তাকে শারিরিক নির্যাতনের মাধ্যমে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে”।এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে যারা জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে খুবিতে জুম্মার নামাজের পর মানববন্ধন হয়েছে । এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীসহ শিক্ষকবৃন্দ। সাবিকুন্নাহার পপির ৫মাস বয়সের একটা কন্যা সন্তানও রয়েছে। শিক্ষকবৃন্দ তাদের বক্তৃতায় বলেন যে পপির ন্যায় আর কোন শিক্ষার্থী যেন এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার না হয় এই জন্য খুনিদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। পপির সহপাঠীরা বলেন যে পপিকে সর্বদা ক্যাম্পাসে হাসিখুশি অবস্থায় দেখা যেত কিন্তু তাঁর সাথে যেটা ঘটেছে সত্যিই এটা করুণ। আমরা চাইনা আমাদের আর কোন সহপাঠী এমন ভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হোক তাই পপির জামাই ও শাশুড়িকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।