ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ-
দুইদিন থেকে বাসায় রান্না হচ্ছেনা। বাসী ভাত তরকারি খেতে হচ্ছে। খালি গ্যাস সিলিন্ডারটা নিয়ে দোকানে দোকানে ঘুরছি৷ গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম চাই ১৬৫০ টাকা। অথচ গতমাসে কিনেছি ১৩০০ টাকায়। আমি সে দামেও কিনতে রাজি৷ দোকানদারকে বললাম আমি আপনার দামে কিনব তবে মেমো দিতে হবে৷ কিন্তু তিনি আমাকে মেমো দেবেননা। আর আমার কাছে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিও করবেনা৷ সে কারনে এখন ঘুরে বেড়াচ্ছি গ্যাস সিলিন্ডার কেনার জন্য।
কয়েকটি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে ঘুড়ে না পেয়ে এভাবেই নিউজ ভোরের বাংলাকে বলছিলেন, ঠাকুরগাঁও পৌরশহরের ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হামিদুর রহমান। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী৷
আওয়ামীলীগ নেতা আরো বলেন,কিছুদিন পরপর সবকিছুর দাম বেড়ে যাচ্ছে। তেলের দাম বাড়লো,চিনির দাম বাড়লো আবার গ্যাসের দাম বাড়লো। তাও এখন গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছেনা। সাইকেল নিয়ে একটার পর একটা দোকানে ঘুরছি কোন লাভ হচ্ছেনা৷ গ্যাস না থাকার কারনে রান্না বান্নাও হচ্ছেনা৷ এখন কিভাবে কি করব বুঝে উঠতে পারছিনা৷ হয়তো শেষ পর্যন্ত মেমো ছাড়াই চড়া দামে কিনতে হবে।
এ বিষয়ে এলপিজি গ্যাস সিলেন্ডার বিক্রেতাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে কেউ কথা বলতে রাজি হননি৷
চড়া দাম ও মেমো না দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শেখ সাদী নিউজ ভোরের বাংলাকে বলেন,এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোক্তাদের স্বার্থে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের অধিক দামে কেউ বিক্রি করে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মোঃ মাসুদ রানা রনি
