হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) সাথে সুইডেনের গোথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।
আজ রবিবার সকাল ১০ টায় হাবিপ্রবি’র আইকিউএসি’র সম্মেলন কক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
কৃষি অনুষদের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ ও ইনভার্সিটি অব গোথেনবার্গ, সুইডেন এর বায়োলজিক্যাল অ্যান্ড ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।
“Transition from a biologist to be a bioinformatician with emphasis on plant a biotic stress ” শীর্ষক একটি কর্মশালা ও “Sustainable Saline Farming Using Wheat” শীর্ষক প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন উক্ত প্রকল্পের প্রজেক্ট লিডার এবং ইউনিভার্সিটি অব হোথেনবার্গ এর বায়োলজিক্যাল এন্ড ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর হেনরিক অ্যারোনসন।
হাবিপ্রবি অংশে প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর এবং বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো: আবু সাঈদ ও প্রফেসর ড. এস. এম. হারুন-উর-রশিদ।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য এবং কৃষি অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআরটি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এস. এম. হারুন-উর-রশীদ, বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আবু সাইদ, সহযোগী অধ্যাপক ড. ইয়াসিন প্রধান, সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আজিজুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার বলেন, “ফুড সাপ্লাই চেইন উন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় গ্রেডে পর্যাপ্ত খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য এ প্রকল্প দারুণভাবে গুরুত্ব বহন করবে। পাশাপাশি বায়োইনফরমেটিকস চর্চার মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে দেশ আরো একধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করি”।
বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আবু সাঈদ জানান, বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চল বিশেষ করে কোস্টাল অঞ্চলে লবণাক্ততার জন্য শত শত হেক্টর জমি অনাবাদী থাকে শুষ্ক মৌসুমে। সমুদ্র তীরবর্তী যেসব জায়গা অব্যবহৃত রয়েছে সেখানে লবণাক্ত সহিষ্ণু গমের জাত উৎপন্ন করে অনাবাদি জমিকে আবাদের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এরই ধারাবাহিকতায় এই প্রকল্পের অধীনে লবণাক্ত সহিষ্ণ একটি ভ্যারাইটি ডেভেলপ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পাশাপাশি বায়োইনফরমেটিকস বিষয়ে কম্পিউটারে তথ্য যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে জানান তিনি।
