মাহমুদুল হাসান আপেল
হালুয়াঘাট প্রতিনিধি
বিশ্বায়নের ফলে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে পুরোবিশ্ব।আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় আনা হচ্ছে আমুল পরিবর্তন।প্রশস্থ রাস্তা নির্মাণের ফলে নির্বিচারে কাটা হচ্ছে বৃক্ষ।যার বিরুপ প্রতিক্রিয়া ইতোমধ্যেই বের করতে পেরেছেন পরিবেশবিদগণ।
গত (১৭-১৮) বছরে বিশ্বে মোট বনভূমির প্রায় ১৪ ভাগ কর্তন করা হয়েছে যা জলবায়ু পরিবর্তনের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। ভারতীয় উপমহাদেশে গত ২০ বছরে তাপমাত্রার পরিমাণ বেড়েছে। ভারতের পরিবেশবিদদের তথ্যমতে গত ১৪ বছরে রাস্তা নির্মাণ ওপ্রশস্থকরণে পায় ১১ কোটির বেশি গাছ কাটা হয়েছে। সামাজিক বনায়নে তৎপর না হওয়ায় এক কোটির অধিক গাছ রোপন করা হয়নি। দেশটি পান্জাব, পুনে,বেঙ্গালুরু,হাদারাবাদ,মুম্বাই, তামিলনাড়ুসহ পসিদ্ধ শহরগুলিতে কড়া তাপ অনুভূত হয়েছে।যে কারণে মানুষের পাশাপাশি অন্যান্য জীব ও বন্য প্রানীর বেঁচে থাকা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়াচ্ছে।সীমান্ত এলাকাগুলোতে বন্যপ্রানীর আক্রমণ বাড়ছে।আর এমনটাই আন্দাজ করেছিলেন পরিবেশবিদরা।
বাংলাদেশের মতো জনসংখ্যাবহুল দেশে এর প্রভাব অনেক বেশি হতে পারে। মালদ্বীপের মতো বাংলাদেশের দক্ষিণান্চলের প্রায় ১৩ টি জেলা বঙ্গোপসাগরে বিলিন হতে শুরু করেছে।মধুপুর, ভাওয়াল ও পার্বত্যভূমির অধিকাংশ এলাকা ভূমিদস্যুদের দখলে। অল্পকিছু বানর ও হনুমান ছাড়া অন্যান্য বন্যপ্রাণী প্রায় বিলুপ্তির পথে।
জাতিসংঘের নেয়া টেকসই উন্নয়ন(এসডিজি) লক্ষ্য মাত্রায় জলবায়ু ও প্রকৃতি রক্ষার বিষয়টি থাকলেও আমলে নিচ্ছেন না দেশনেতারা।জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি ও সম্মেলনের গুরুত্ব কমে গেলে শুধু দুর্যোগ নয় বসবাসের অনুযোগী হয়ে উঠতে পারে আমাদের এই পৃথিবী।
