
আমি শুনেছি তাদের চিৎকার
যারা প্রতিনিয়ত পেছনে ফেলে আশা
স্মৃতিকে স্মরণ করে
সেই চায়ের দোকানে বসে আড্ডা মারা
সিগারেটের ধোঁয়া উড়িয়ে গানে গানে
উল্লাস মেতে উঠা
ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোণায়
নিজের পদচিহ্নের
স্মৃতিচারণগুলি
কখনওবা উচ্চ বজ্র কন্ঠে
হাতে হাত মিলিয়ে প্রতিবাদে
নিজেকে প্রতিবাদী করা
কখনওবা আবার স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে
নিজেকে অনেক বড়
পন্ডিত মনে করা
কখনোওবা অনেকাংশ কাজ
নিজের কাঁধে নিয়ে
সফল করে তোলা
এখন আর সেই আত্ম চিৎকার নেই
মাঝে মাঝে বসতাম কিন্তু নেই কোনো আড্ডা
চা খাওয়া হয়, কিন্তু আগের চায়ের অনুভব নেই
মনকে বোঝাতে চেষ্টা করি, কিন্তু মনতো মানে না।