
কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি:
চেক জালিয়াতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঝিনাইদহের জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক সুমন মিয়া।
জাহাঙ্গীর আলম ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ৫ নম্বর এলাঙ্গী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি উপজেলার কাঠালিয়া গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে।
জমি নিয়ে বিরোধ, চেক লেনদেনের পর মামলা
মামলা সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর মেইন বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা আব্দুল আজিজের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলমের চেক লেনদেন হয়। পরবর্তীতে টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে আব্দুল আজিজ ঝিনাইদহের জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতে মামলা করেন।
মামলাটির নম্বর কোটঃ সিআর-এসসি ১০৪৬/২১। ওই মামলায় আদালত জাহাঙ্গীর আলমকে সাজা দেন। এরপর থেকে তিনি সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হিসেবে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন।
বুধবার জাহাঙ্গীর আলম ঝিনাইদহের জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সুমন মিয়ার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিকে, সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় জাহাঙ্গীর আলমের ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান পদে থাকার বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বি.এম. আব্দুল মান্নান তুহিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো পরিপত্র তাঁদের হাতে আসেনি। পরিপত্র পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। এ ধরনের বিষয় সাধারণত প্রথমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যায়, পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসে। এরপর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ বিষয়ে আইনে কী বিধান রয়েছে, তা খোঁজ নিয়ে জানানো হবে।