
ধর্ম ডেস্ক
সপ্তাহের সবচেয়ে সেরা দিন শুক্রবার বা জুমার দিন। এদিনের সওয়াব-মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও আজহার মতো। মুসলমানদের কাছে এ দিন অপরিসীম ফজিলতের। এই দিন দোয়া করলে— বিশেষভাবে কবুল করা হয়। এছাড়াও বান্দাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
জুমার দিন অনেক আমল রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে বিপুল পরিমাণে সওয়াব ও পুণ্য দান করেন। এখানে পাঠকদের জন্য দুইটি আমলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যে দুইটি আমল আল্লাহর রাসুল (সা.) জুমার দিন বেশি বেশি করতে বলেছেন। আমল দুইটি হলো—
এক. বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা
এই দিনের আরেকটি আমল হচ্ছে নবীজির ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা। এই মর্মে রাসুল (সা.) বলেন, ‘দিনসমূহের মধ্যে জুমার দিনই সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে। এই দিনে সমস্ত সৃষ্টিকে বেহুশ করা হবে। অতএব তোমরা এই দিনে আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করো। কেননা তোমাদের দরুদ আমার সম্মুখে পেশ করা হয়ে থাকে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৭)
আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত অন্য হাদিসে নবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা জুমার দিনে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ জিবরাইল (আ.) এইমাত্র আল্লাহ তাআলার বাণী নিয়ে হাজির হয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘পৃথিবীতে যখন কোনো মুসলমান আপনার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে— আমি তার ওপর দশবার রহমত নাজিল করি এবং আমার সব ফেরেশতা তার জন্য দশবার ইস্তেগফার করে।’ (তারগিব, হাদিস : ৩/২৯৯)