
রানা ইস্কান্দার রহমান
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার দু’টি নদীর ভাঙ্গনে কয়েক শতাধিক পরিবার ভাঙ্গনের আতঙ্কে রয়েছে। কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের মুলিংশপুর গ্রাম,সুলতানপুর গ্রাম, কিশোরগাড়ী গ্রামে নদী ভাঙ্গনে কয়েকশত পরিবার ভাঙ্গনের মুখে ব্যাপক দুভোর্গ ও হুমকির মধ্যে বসবাস করছে। ইতিমধ্যে ভাঙ্গনে বিলিন হয়ে গেছে বসতবাড়ী,আবাদী জমি,ইউপি রাস্তা। হুমকির মুখে বসতবাড়ী , একাধিক শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান । এ নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ চেয়ে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন দাখিল করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার গুলো।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের মুংলিশপুর গ্রামে কুমার, নাপিত, বৈরাগী ও মাঝি চার জাতীয় মানুষের বসবাস নিয়ে গড়ে উঠা এই মুংলিশপুর গ্রাম। যাহা কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে। গ্রামটির দু’ধারই নদী। পূর্ব আখিরা নদী এবং পশ্চিমে করতোয়া নদী। দু’টি নদীর ভাঙ্গনে ফাঁদে পড়েছে একটি গ্রাম। যেখানে দুই শতাধিক পরিবার নিয়ে বসবাস। কালের পরিবর্তনে প্রায় অর্ধশত পরিবার নদীর ভাঙ্গনের ফলে ভিটামাটি ছাড়িয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। বর্তমানে ওই গ্রামে কুমার, নাপিত, বৈরাগী ও মাঝি চার জাতীয় দুই শতাধিক পরিবার ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে। তার মধ্যে ৪০টি পরিবার দুই নদীর মাঝখানে রয়েছে। যে ভাবে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। তাতে আগামী ৩ থেকে ৪ বৎসরের মধ্যে দুই নদী একত্র হয়ে যেতে পারে বলে এলাকাবাসী জানান। তাতে ভিটামাটি হারাবে শতাধিক পরিবার। তাই ভাঙ্গনের হাত বাঁচতে অত্র এলাকার ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন এলাকাবাসীর সহযোগিতায় জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদন দাখিল করেছে বলে জানা যায়।এছাড়াও কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের সুলতানপুর বালুপাড়া,সুলতানপুর ঘাট,রিশিঘাটে এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গনে দিশেহারা স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলার সচেতন মানুষ দ্রুত সময়ের মধ্যে নদী ভাঙ্গন রোধে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন।