রাজবাড়ী সংবাদদাতা
শিশুর মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্য-শিক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১১ সাল থেকে ক্ষুদে ডাক্তার কর্মসূচি শুরু করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রতি শ্রেণী বা সেকশনের জন্য তিনজন হিসেবে ক্ষুদে ডাক্তার নির্বাচন করা হয়। সেজন্য প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ, সপ্তম এবং নমব শ্রেণী থেকে শিক্ষার্থী বাছাই করা হয়। বাছাই করা এসব শিক্ষার্থীদের “ক্ষুদে ডাক্তার” উপাধি দিয়ে একজন শ্রেণি শিক্ষক বা গাইড শিক্ষকের মাধ্যমে তাদের কার্যাবলী সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
শিশু চিকিৎসকদের কাজের বিষয়বস্তুর মধ্যে নির্ধারিত শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্য বার্তা দেওয়া, বছরে দুইবার জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহে কৃমিনাশক ওষুধ সেবন, দুইবারেই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা (ওজন, উচ্চতা ও দৃষ্টি শক্তির পরিমাপ) করা। এছাড়া স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন দিবসে সক্রিয় অংশ নেওয়া হচ্ছে ক্ষুদে ডাক্তার দলের অন্যতম প্রধান কাজ। যা একজন গাইড শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে থাকে।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্য
১. শিক্ষার্থীদের উচ্চতা, ওজন পরিমাপ এবং দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করা।
২. শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ উচ্চতা, ওজন ও দৃষ্টিশক্তি সম্পর্কে সচেতন করে তোলা
৩. উচ্চতা, ওজন ও দৃষ্টিশক্তির কোনো সমস্যা থাকলে তা প্রতিকারের ব্যবস্থা করা।
সরকারের এই সচেতনতামূলক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে এবং সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফারসিম তারান্নুম হক, এমওডিসি ডাঃ রুহুল আমিন এবং এমটি ইপিআই উপস্থিত হয়ে ক্ষুদে ডাক্তার শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
