
লোহাগাড়া প্রতিনিধি
সুকুমার নাথ
চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলা বড়হাতিয়া ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মৃণাল কান্তি নাথ মুন্সীর বড় কণ্যা কলাউজান এয়াকুব বজলুল রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৪ সনের এস এস সি পরীক্ষার্থী মনিষা দেবী গত ১৪ ই এপ্রিল দুপুর ১২ টায় অপহরণ হয়।অনেক খুঁজাখুঁজির পর না পেয় ১৫ ই এপ্রিল লোহাগাড়া থানায় জিডি হয়,।যার জিডি নং ৬৪৭ তদন্তের দায়িত্ব এস আই জামাল অর্পন করে।
উল্লেখ্য যে মনিষা দেবী স্কুলে আসা ষাওয়ার সময় স্হানীয় ইভটিজার ইমন নাথ পিতা দিলিপ কান্তি নাথ সবসময় উত্যক্ত করতো।
গোপনীয় তথ্যের ভিত্তিতে মোবাইল ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে ওসি রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে এস আই জামাল সঙ্গীয় সোর্সের দৃড় দক্ষতায় হাটহাজারী উপজেলা থেকে ১৮ ই এপ্রিল রাত অনূমানিক ৩.৩০ মিনিটের সময় একটি বাসা থেকে আসামী ১নং ইমন নাথ পিতা দিলিপ কান্তি নাথ (২) দিলিপ কান্তি নাথ পিতা মৃত দয়াল হরি নাথ সর্বসাং কলাউজান নাথ পাড়া ২ নং ওয়ার্ড হাতে নাতে গ্রেফতার করে। এবং অপহরণ কৃত মনিষা দেবীকে উদ্ধার করে লোহাগাড়া থানায় সোর্পদ করে।
ভিকটিমের মৌখিক জবানবন্দির ভিত্তিতে ঘটনার বর্ণনা লিপিবদ্ধ করেন।। এবং ভিকটিমের মা পম্পি দেবী বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০১০ সংশোধীত ২০০৩ তে একটি মামলা এজাহার ভুক্ত করেন যাহার মানলা নাম্বার ১৫/৯৪।। তারিখ ১৯.০৪.২০২৪ ইং
এবিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই জামাল বলেন উদ্ধার বিলম্বিত হলে ও অপরাধী যেই হোক না কেন অবশ্যই শান্তি পেতে হবে।
মনিষা দেবীর মা মামলার বাদী পম্পি দেবী বলেন আমার মেয়ের স্পষ্ট জবানবন্দি ধারণকৃত ভিডিও তে বেশ কয়েকজন আসামীর সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করলে ও মামলার বিবরনীতে উক্ত আসামি গুলোর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপহরণের সহযোগী,ইন্ধন দাতাদের মামলার চার্জশীটে অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবী জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লোহাগাড়া থানার ওসি রাশেদুল ইসলাম বলেন বাকি আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে খুব দ্রুতই তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।