
নাসিম আহমেদ শিমুল, কালিয়াকৈর(গাজীপুর) প্রতিনিধি :
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার তালুক শিমুলতলী এলাকার মৃত কেরামত আলীর ছেলে নুরু মিয়া(৫৫) চলতি বছরের ৪ সেপ্টেম্বর হার্ট এ্যাটাকে আক্রান্ত হন। নুরু মিয়ার স্বজনেরা প্রথমে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নুরু মিয়াকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।সেখানে দু’দিন চিকিৎসার পর ৭সেপ্টেম্বর দুপুরে নূরু মিয়া মারা যান। পরবর্তীতে নুরু মিয়ার ছেলে, স্ত্রী সুমা বেগম ও স্বজনেরা হাসপাতাল থেকে নুরু মিয়ার মরদেহ নিয়ে এসে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করেন। এর প্রেক্ষিতে গত ২৪ নভেম্বর বরইতলি এলাকার অমূল্য সাহার ছেলে রতন কুমার সাহা, তালুক শিমুলতলি এলাকার মৃত হায়াত আলীর ছেলে বারেক, এবং তাদের সহযোগী মাহবুবুল,শহীদ, ফজলুর গংরা চলতি মাসের ২৪ তারিখে মৃত নুরু মিয়ার স্ত্রী সুমা বেগমকে কৌশলে ডেকে এনে স্থানীয় রুকন উদ্দিন এর গোডাউনের মালামাল সরানোর সময় নুরু মিয়াকে বস্তা চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে মর্মে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করেন বলে নিহত নুরু মিয়ার স্ত্রী গতকাল বুধবার সকালে কালিয়াকৈর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে নিহত নুরু মিয়ার ছেলে আরিফ হোসেন বলেন, রতন সাহা গংরা যেকোনো সময় আমাদের বিপদে ফেলতে পারেন। নুরু মিয়ার স্ত্রী সুমা বেগম আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন রতন কুমাত সাহা গংরা রোকন উদ্দিনদের ফাঁসানোর জন্য আমাকে ও আমার পরিবারকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন নিহত নুরু মিয়ার ছোট ভাই নজরুল ইসলাম এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মতিউর রহমান ও স্থানীয় মাতববর শরীফ মাহমুদ প্রমূখ।