
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার কুমারখালিতে চুরির অপবাদে ভ্যান চালক নাঈম শেখকে মারধর ও চুল কাটার ভিডিও ফেইসবুক সহ অন্যন্য প্লাট ফর্মে ছাড়ায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তিনদিন পরে ২০ শে এপ্রিল রোজ শনিবার ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় আরো ৬ জনকে অঙ্জাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে অভিযানের মাধ্যমে ২ জনকে আটক করে পুলিশ।
আটকদের এজাহার নামীয় আসামি করে দুপরে আদালত এর মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তারা হলেন উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের হোগলা এলাকার মৃত গভুর শেখের ছেলে রেজমত শেখ, (৪৫) একই গ্রামের সিরাজ সরদারের ছেলে মিজারুল ইসলাম (৪০) আর নাঈম শেখ উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের মৃত মানিক শেখের ছেলে তিনি পেশায় ভ্যান চালক পুলিশ এলাকাবাসীর সূএে জানা ্যায় গত ১৭ ই এপ্রিল রাত ১০ টার দিকে জগন্নাথপুর ইউনিয়ন এর হোগলা বাজার থেকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি গোপগ্রাম যাওয়ার কথা বলে ভ্যানটি ভারা নেয়। পথে তার সাথে তার আর ২ জন সহকর্মী যুক্ত হয়। পরে জোর পুর্বক কলা ভর্তি একটি বস্তা ভ্যানে তোলে। এসময় স্থানীয় ধাওয়া করে ভ্যান চালককে আটক করে।
আটক করে মারধর এবং চুল কেটে দেয়। এসময় জগন্নাথপুর ইউনিয়ন এর ৩ নম্বর সদস্য খোকন মেম্বার উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার ৩৫ সেকেন্ড এর ভিডিও ১৮ এপ্রিল ফেইসবুক সহ সকল অনলাইন প্লাটফর্ম এ ভাইরাল হয়।
মামলার বাদী নাঈম জানায় তিনি পেশায় ভ্যান চালক রাত বেশি হওয়ার অতিরিক্ত ভারা মিটিয়ে অগ্জাত তিন জনকে ভ্যানে উঠায়। এমন ঘটএনা হবে ভাবতেও পারি নি। তার ভাষ্য মতে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় মামলা করতে দেরি হয়েছে। ঘটনায় জরিত থাকা আসামিদের শাস্তি চেয়ে শনিবার মামলা দায়ের করে।
জগন্নাথপুর ইউনিয়ন এর ৩ নং সদস্য খোকন মেম্বার তিনি জনপতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল কিন্তু উৎসুক জনতার ভিরে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেন নি।তার ভাষ্য মনুষের সাহায্য করতে গিয়ে যদি বিপদে পরতে হয়। ভাবিষ্যতে কেউ কারো উপকারে যাবে না। বাদী এজাহার দিতে দেরি করায় মামলার কার্যক্রম শুরু করতে দেরি হয়েছে। ওসি মো: আকিবুল ইসলাম জানান ভ্যান চালককে মারধর ও চুল কাটার ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২ জনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যহত রয়েছে