
মো. নাজিউল্লাহ ভূইয়া
কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
কেরানীগঞ্জে শারদীয় দূর্গা উৎসব উদযাপন
উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশেষ
আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।আজ
সোমবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ
অডিটোরিয়ামে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিনাত ফৌজিয়া। উপস্থিত ছিলেন
কেরানীগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফতাব
আহমেদ, মেজর রাকিব, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত আল আমিন, কেরানীগঞ্জ মডেল
থানার ওসি তদন্ত ইলিয়াস, উপজেলা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর শাহিদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদ আহমেদ, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. তাইবুর রহমান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুন্নাহার, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এবং শাক্তা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হালিমা খাতুন,কেরানীগঞ্জ মডেল থানার দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নিবাস সরকার,দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সভাপতি অনুপ কুমার বর্মন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজি শামিম হাসান, সাধারণ সম্পাদক হাসমত উল্লাহ নবী, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেরানীগঞ্জ এর প্রধান সমন্বয়ক জাবেদ হোসেনসহ
কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এর অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।
সভায় ইউএনও রিনাত ফৌজিয়া বলেন, দুর্গোৎসবকে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে প্রতিটি পূজা মণ্ডপে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী
প্রত্যেকটা মণ্ডপকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। প্রত্যেকটা মন্ডপে সার্বক্ষণিকভাবে আনসার বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকবে।
তাছাড়া পুলিশ, র্যাব,সেনাবাহিনীসহ আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা নিয়মিতভাবে পূজা মন্ডগুলোতে টহল কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মোবাইল টিমও কাজ করবে।
তিনি আরও জানান, পূজা মন্ডপে অগ্নি নির্বাপক
যন্ত্রের ব্যবস্থা করা এবং আজান ও নামাজের সময়
পূজামণ্ডপে বাদ্যযন্ত্র বাজানো থেকে বিরত থাকার জন্য বিশেষভাবে পূজা আয়োজক কমিটিকে অনুরোধ করা হয়েছে।
বক্তারা পূজার সময় নিরাপত্তা জোরদার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা ও শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ পরিবেশে উৎসব উদযাপনের উপর জোর দেন। সভা শেষে উপজেলার ১৪৯টি পূজা মণ্ডপ
কমিটির সভাপতির হাতে সরকারি অনুদানের চেক তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।