
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
খুলন বিশ্ববিদ্যালয়ে্র শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন আবাসিক হলের ব্যবস্থা রয়েছে তেমনিভাবে পাখিদের জন্যেও রয়েছে থাকার সুব্যবস্থা।প্রতিটি গাছে রয়েছে তাদের থাকার জন্য অনেকগুলো ছোট ছোট মাটির হাঁড়ি। আর এই মাটির হাঁড়িগুলোতে পানি না জমে থাকে এজন্য বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে ।এখানে তারা নির্বিঘ্নে বাসা বাঁধে।সকালে পাখিদের কিচিরমিচির ডাকে ক্যাম্পাসে এক মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি হয়।পাখিদের এই আনাগোনা শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের মনোমুগ্ধ করে ।খুবির প্রাকৃতিক পরিবেশে যুক্ত হয়েছে অনন্য এক দৃশ্য যা প্রকৃতি প্রেমিকদের জন্য সহায়ক।
মনে হয় পাখিগুলো যেন ক্যাম্পাসের একটি অলিখিত অংশ।ছুটি পেলে শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে চলে যায় ক্যাম্পাস ছেড়ে কিন্তু পাখিগুলো যেন খুবির ক্যাম্পাসটাকে আগলিয়ে রাখে।ক্যাম্পাসের সাথে তাদের সম্পর্ক যেন জন্মজন্মান্তর।কোকিলের কুহু কুহু ডাক হৃদয়কে শিহরিত করে।এই ক্যাম্পাসে পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করণে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে এফডব্লিউটি ক্লাবের সদস্যরা। আর তাদের এই মহৎ কাজের ফলে শুধু দেশি পাখিরাই নয় শীতের সময় অতিথি পাখিরাও এখানে আশ্রয় নেয়। ফলে খুবির ক্যাম্পাসে এক মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
‘প্রকৃতির জন্য পাখি, গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ০৮ নভেম্বর (বুধবার),২০২৩ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাখিদের অবাধ বিচরণ, নিরাপদ আশ্রয় তৈরি ও তাদের বংশবৃদ্ধির জন্য গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি বসানো হয়েছিল। এখন আমরা এর ফলাফল প্রত্যক্ষ করতে পারছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মাটির হাড়িগুলোতে পাখিদের আনাগোনায় ভোরে উঠেছে। এবং পাখি পরিবারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় প্রতিটি প্রাকৃতিক পরিবেশে এভাবেই বেড়ে উঠুক পাখিরা এটাই আমাদের প্রত্যাশা।