
সেখ সাইফুল ইসলাম
খুলনা জেলা প্রতিনিধি।
খুলনা জেলার তেরখাদা উপজলোর আড়পাঙ্গাসিয়া গ্রামে গত ০৫/১১/২০০৯ তারিখে রাত আনুমানিক ০৯.০০ ঘটিকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ভিকটিম পলাশকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বাড়ির পাশে বিলের ভিতরে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। ঘটনার পর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে থাকে। পরবর্তীতে ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর আসামী রোমান মোল্লা তার শশুর বাড়ি রাজাপুর এসে স্থানীয় কয়েকজন লোকের সামনে পলাশ হত্যাকান্ডের গোমর ফাঁস করে। বিষয়টি জানতে পেরে ওইদিন নিহত পলাশের মা বাদী হয়ে চারজন আসামির নাম উল্লেখ করে তেরখাদা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ১৮ এপ্রিল এ মামলার আসামি রোমান ফকির পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পরে তার দেখানো স্থান থেকে পলাশের কঙ্কাল উদ্ধার করে পুলিশ। উক্ত মামলায় আসামীগন জামিনে মুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন যাবত পলাতক থাকেন। পরবর্তীতে মামলার বিচারকার্য শেষে ঘটনার সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত ০২ জন আসামীকে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করেন। পরবর্তীতে র্যাব গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে উক্ত আসামীর অবস্থান নিশ্চিত করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখ র্যাব-৬ (স্পেশাল কোম্পানি) এবং (সিপিসি-২), ঝিনাইদহ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, পলাশ হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী ঝিনাইদহ জেলার ঝিনাইদহ থানাধীন মর্ডান মোড়স্থ এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে আভিযানিক দলটি মর্ডান মোড়স্থ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী ১। মিলু মোল্লা, পিতা-মহিউদ্দিন মোল্ল্, থানা-তেরখাদা, জেলা-খুলনা’কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে খুলনা জেলার তেরখাদা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।