
স্টাফ রিপোর্টার
হিমালয়ের কন্যা পঞ্চগড় জেলা বছরের শুরুতেই শীত যেনো জেঁকে বসেছে। এর কয়েক দিন তাপমাত্রা বেশি থাকায় আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে ছিল। বছরের শুরুতেই জেলার ৫টি উপজেলায় প্রচন্ড শীতের প্রভাব লক্ল করা যায়।
কিন্তু সোমবার থেকেই শীত তীব্রতা অনুভূত হয়। ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিলো আকাশ, সারাদিন সূর্যের দেখা মেলেনি। হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
১ লা জানুয়ারি পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি রেকর্ড দিয়ে শুরু হলো সকাল ৯টায় এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, রোববার সন্ধ্যার পর থেকেই হিমেল বাতাস বইতে থাকে। শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকে যার ফলে জনজীবলে বিরুপ প্রভার পড়তে শুরু করেছে। রাত বাড়ার পর থেকে বন্ধ হয়ে যায় শহর ও গ্রামের হাটবাজারগুলো। যতই রাত বাড়তে থাকে ঘন কুয়াশা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়তে পড়তে থাকে। সকাল থেকে ঘন কুয়াশা লক্ষ করা যায়।
সেই সংগে তীব্র শীত আর বাতাসের কারণে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে আসে। নিম্ন আয়ের মানুষগুলো ঠান্ডার জন্য কাজ করতে পারছেনা। সকাল থেকে কুয়াশায় ঢাকা ছিলো সারাদিন।
স্থানীয় সানা উল্ল্যা জানান যে তিনি একজন দিন মজুর কিন্তু ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে কোনো কাজ করতে পারছেনা। শরীর বরফের মত হয়ে যায়। কাজ করতে প্রচন্ড সমস্যা পোহাতে হয়।
আরো একজন বলেন, আটোরিকশা চালক যানান, অতিরিক্ত ঘন কুয়াশার শীতে যাত্রী একেবারে কমে গেছে। কারণ শীতের তীব্রতার ফলে যাত্রী না পাওয়ার তার উপার্জনের সমস্যার সম্মুখিন হতে হচ্ছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, সোমবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। এ জেলা হিমালয়ের কাছে অবস্থান হওয়ায় অন্যান্য এলাকা থেকে শীত আগে নামে। শীতের মাত্রা বেশি থাকে