
শতবর্ষের পুরোনো কোনো মসজিদ না হলেও এর সৌন্দর্য যেন সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। মসজিদটিতে আসা মুসুল্লীদের দাবি, বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগে এমন সুন্দর নান্দনিক মসজিদ এটি।
মসজিদের দায়িত্বে থাকা ইমাম জানান, মারবেল পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে মসজিদের কাঠামো। যা দেশের বাইরে থেকে নিয়ে আসা হয়েছে।
মসজিদটি নির্মাণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাবুবুল হক চিশতী। তিন দরজাবিশিষ্ট মসজিদের ছাদের মাঝখানে আছে বড় একটি গম্বুজ। যার ভেতরের অংশেও আছে সুন্দর নকশার সমাহার। আর চারপাশে পিলারের ওপর নির্মিত হয়েছে সাতটি গম্বুজসহ চারটি বড় মিনার। মসজিদটির সৌন্দর্য দেখতে প্রায় প্রতিদিনই দূরদূরান্ত থেকে আসেন দর্শনার্থীরা।
বকশীগঞ্জের শহরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়বে এই মসজিদটি। পৌরসভার দড়িপাড়ায় ব্যক্তিগত অর্থায়নে তৈরি করা হয়েছে সৌন্দর্য ভরা মসজিদে নূর। মসজিদটি দ্বিতলবিশিষ্ট ও সম্পূর্ণ কারুকার্যমণ্ডিত। এই মসজিদে ২৫০০ মুসুল্লি এক সঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
এই মসজিদের মূল ক্যাম্পাসের পবিত্রতা রক্ষার জন্য চারপাশে আছে দেয়াল। আঙিনা জুড়ে রয়েছে সারিবদ্ধ গাছ ও দৃষ্টিনন্দন একটি অযুখানা রয়েছে।
মসজিদের ইমাম মো. বেলাল হোসেন বলেন, পাঁচ একর জায়গা জুড়ে এই মসজিদে ২০১৮ সালের ১১মে প্রথম জুমার নামাজের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নামাজ আদায় করা শুরু হয়।