
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রতিনিধিদের দৌরাত্ম্য দিন দিনই বেড়েই চলেছে। ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের দখলে থাকে হাসপাতাল।তাদের দৌরাত্ম্যে নানা হয়রানি ও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন রোগীরা। জীবননগর হাসপাতালে সামনে ৫ – ৬ জন দাঁড়িয়ে একজনের প্রেসক্রিপশন নিচ্ছে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,
আসমা খাতুন সাথে কথা বললে তিনি বলেন। আশমা খাতুন এসেছেন তার ছোট ছেলেকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে। ডাক্তার দেখানো শেষ হতেই তিনি যখন গেট থেকে বের হতে যাবেন তখনই তাকে ঘিরে ধরলেন কয়েকজন।তারা দেখতে চান ডাক্তার তার ছেলের জন্য কি ওষুধ লিখেছেন। শুধু দেখেই তারা ক্ষান্ত নন, তুলে নিয়েছেন প্রেসক্রিপশনের কয়েকটি ছবি।
এদিকে আশমা খাতুন ছেলেকে সামলাতে ব্যস্ত আর তার হাতে থাকা প্রেসক্রিপশন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধির হাতে।পাঁচ মিনিট পর তিনি তার ছেলেকে নিয়ে গেট থেকে বের হতে পারলেন। তার সাথে কথা হয়, তিনি অনেকটা বিরক্ত হয়ে বললেন, এটা আর নতুন কি। ওষুধ কোম্পানির লোকজন তাদের কোম্পানির ওষুধ ডাক্তার লিখেছেন কিনা এটা দেখতে চেয়েছেন। আমি ছেলেকে নিয়ে ওষুধ কিনে বাসায় যাবো। এমন পরিস্থিতিতে আমি বিব্রত।জীবননগর হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন কয়েকজন।
কেউ প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়ে এলেই তাকে ঘিরে ধরেন ডাক্তার কি ওষুধ লিখেছেন তা দেখার জন্য।
ছেলে কে ডাক্তার দেখিয়ে গাড়ীতে এ উঠবেন এমন সময় আশমার হাত থেকে প্রেসক্রিপশন নিয়ে ছবি তুলে নিলেন কয়েকজন।তিনি বলেন, এখানে আমি যখনি আশি চিকিৎসা নিতে তখনি এসে দেখি। একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। অসুস্থ রোগী সঙ্গে থাকলে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি এমন আচরণ না করলেও পারে।