
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা
বোরো ধান কাটার উৎসব চলছে, ঠাকুরগাঁওয়ে। তবে বাম্পার ফলনের পরও, মুখে হাসি নেই জেলার চাষিদের। বাজার মূল্য কম হওয়ায়, উৎপাদন খরচ ওঠানো নিয়েই চিন্তিত তারা। তবে, কৃষি বিভাগ বলছে, সরকার নির্ধারিত মূল্যে লাভবান হবে কৃষক।
দিগন্ত জুড়ে শুধু ফসলের মাঠ। কৃষকের স্বপ্নের ধান, ধারণ করেছে সোনালী রঙ। পাকা ধানের গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের চারিদিকে। তাই কৃষকরা এখন ব্যস্ত ধান কাটা ও মাড়াইয়ে। কিন্তু, ধানের বাজার দর নিয়ে হতাশ তারা। এখন উৎপাদন খরচ ওঠানো নিয়েই শঙ্কা কৃষকদের।
কৃষকরা বলেন, ‘ধানের বাজার দর কম, আমরা গরিব কিভাবে বাঁচব। ধানের দাম না পাওয়ায় আমাদের ক্ষতি হচ্ছে। আমরা কত কষ্ট করে খেতের মধ্যে পরিশ্রম করি তারপরও ন্যায্য দাম পাচ্ছি না।’
এ অবস্থায় কৃষকরা বলছেন, গতবারের মতো এবারো লোকসান হলে পথে বসতে হবে তাদের।
তবে, সরকার নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রি করলে চাষিরা লাভবান হবে বলে মনে করছেন জেলার কৃষি কর্মকর্তা।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আরশেদ আলী বলেন, ‘সময়মতো কৃষকের উৎপাদিত ফসল যদি সরকারি দরে তাদের কাছে ক্রয় করে তাহলে তারা আবাদের প্রতি উৎসাহ পাবে এবং উৎপাদন দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।’
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় এ বছর বোরোর আবাদ হয়েছে ৬০ হাজার ৪’শ ৬০ হেক্টর জমিতে। আর ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৩’শ ৯৩ মেট্রিক টন।