
আবু সাঈদ মো. ফরহাদ নওরোজ নাহিন
নীলফামারীর চারটি আসনের বেসরকারি ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ৪টি আসনের ২টিতে নৌকা, অপর ২টিতে কাঁচি বিজয়ী হয়েছে৷
রবিবার (৭ জানুয়ারি) রাতে ভোট গণনা শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা পঙ্কজ ঘোষ এই ফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলে দেখা গেছে, নীলফামারী-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার নৌকা প্রতীকে এক লাখ ১৯ হাজার ৯৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন৷ তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রার্থী নোঙর প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৩ হাজার ২১৭।
নীলফামারী-২ আসনে টানা ৫ বারের সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান নূর নৌকা প্রতীকে এক লাখ ১৯ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ৬৮৪ ভোট।
নীলফামারী-৩ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদ্দাম হোসেন পাভেল। তিনি কাঁচি প্রতীকে পেয়েছেব ৩৯ হাজার ৩২১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মার্জিয়া সুলতানা ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ২০৫ ভোট।
নীলফামারী-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক কাঁচি প্রতিকে ৬৯ হাজার ৯১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন৷ নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ট্রাক প্রতিকে লড়েছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকছেদুল মোমিন৷ তিনি পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৩০১ ভোট।
প্রসঙ্গত: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণ মুলক করার নিমিত্তে আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে নীলফামারী-৩ ও নীলফামারী-৪ আসন থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিয়েছিল আওয়ামী লীগ।
এদিকে, অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণ মুলক নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যক্তয় ঘটতে দেয়নি জেলা প্রশাসন৷ ফলে, ভোট কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োয়ের মাধ্যমে পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পেরেছেন বলেও মন্তব্য করেছেন সাধারণ ভোটাররা৷