
স্টাফ রিপোটার
পঞ্চগড় জেলা হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত বলে এই জেলাকে বলা হয় হিমালয়ের কন্যা। ক্রমাগতভাবে দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে বাড়ছে শীতের প্রকপ।
২৮ জানুয়ারি (রবিবার) তেঁতুলিয়া আবহাওয়া ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রী রেকর্ড করা হয়েছে।সরেজমিনে ভোরের বাংলা নিউজ দেখতে পায় যে, সপ্তাহজুড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পর এ জেলায় কয়েকদিন ধরে কমতে থাকে তাপমাত্রা। তবে কুয়াশার পরিমাণ কমে আসলেও অব্যাহত রয়েছে পাহাড়ি হিমেল বাতাসের সঙ্গে শীত। কুয়াশা যেনো গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মতো পড়তে থাকে।
অন্যদিকে, তীব্র
শীতের কারণে জরুরি কাজ ছাড়া মানুষ বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না। এতে বিপাকে পড়েছেন দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। তবে পরিবারের চাহিদা মেটাতে অনেকেই শীত উপেক্ষা করেই কাজের সন্ধানে ছুটছেন। অপরদিকে তীব্র শীতে অনেকটাই জনশূন্য হয়ে পড়েছে ব্যস্ততম সড়ক ও হাটবাজার গুলো।
দিনের বেলা অন্যান্য দিন দুপুর বেলা সূর্যের দেখা মিললে, থাকে কনকনে শীতের তীব্রতা বাড়ছে। ভোরে ঘনকুয়াশা থাকার কারণে পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন সড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহানগুলোকে চলাচল করতে দেখা গেছে। এদিকে শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা।
ভোরের বাংলা নিউজকে জানান, ঘনকুয়াশার কারনে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষদের সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়েছে। তাছাড়া যারাও কাজে যাচ্ছে তারা তীব্র ঠান্ডায় হাত যেনো অবাস হয়ে যায়। এই শীত জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে ফেলেছে। শিশু ও বৃদ্ধ মানুষসহ বিপাকে পরেছে পশুপাখি।
আরোও দেখা যায়, রাস্তায় সকাল হতে তেমন কোনো ভ্যান, অটো বা অন্যান্য পরিবহনেরর উপস্থিতি কম লক্ষ করা যায়। অটো, ভ্যান চালকরা জনান অতিরিক্ত শীত ও ঘনকুয়াশার কারনে শীতের তীব্রতার বাড়ায় যাত্রী পাওয়া যায়না এবং তাড়া নিজেরাও ঠান্ডা বের হতে পারেনা এতে।তাদের পরিবারের এক ধরনের আর্থিক সমস্যা দেখা দিয়েছে।