
মোঃ আক্তারুজ্জামান।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানায় ০৯/০৩/২০২৫ তারিখ
যোগদানের পাঁচ মাসের মধ্যেই প্রশংসিত হয়েছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি)জনাব মো: আশরাফ হোসেন ।
তিনি ভাঙ্গা থানায় যোগদানের পরপরই সতেরো বছরের প্রথা ভেঙ্গে থানায় প্রশংসিত হন ওসি মোঃ আশরাফ হোসেন ।
মূলত বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন ধরনের আসামি গ্রেফতার করে ভাঙ্গা থানা থেকে বৈষম্য দূর করতে একমাত্র ওসি হলেন মোঃ আশরাফ হোসেন ।
এ ঘটনার পর থেকেই ওসি মো:আশরাফ হোসেন জনগনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
তিনি ভাঙ্গা থানায় যোগদানের পর থেকেই সাধারণ জনগণের সেবা কিভাবে নিশ্চিত করা যায় এ ব্যাপারে ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ওসি আশরাফ হোসেন যে কোনো ধরনের অপরাধী মূলক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে কোনরকম আপস করেন না।
পুলিশ এবং জনগণের মাঝে দূরত্ব ঘোচাতে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
থানার ওসির রুমে ঢুকতে যে অনুমতি নিতে হয় সেই প্রথার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন ওসি মোঃ আশরাফ হোসেন ।তার রুমের দরজায় বড় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে
‘একজন গণকর্মচারীর অফিস, যে কোনো প্রয়োজনে এই অফিসে ঢুকতে কোন অনুমতির প্রয়োজন নেই।
সরাসরি রুমে ঢুকুন। তিনি সাধারণ জনগণ কে বলেন আমি আপনাদের একজন সেবক আমাকে স্যার বলার দরকার নেই।
ভাঙ্গা থানার
ওসির এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে ভাঙ্গাবাসী এ ধরনের কর্মকাণ্ড পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে পুলিশ এবং জনগনের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি করবে।
থানায় সেবা নিতে আসা জনগণের যাতে কোন ধরনের ভোগান্তি না হয় সে ব্যাপারে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
ওসি নিজেই জনগণের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে সমাধান করে দেন। এবং ভাঙ্গা থানায় কোন ধরনের চুরি ডাকাতি না হয় যে ব্যাপারে তিনি নিজে সজাগ থেকে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে টহল দেয়।
তাছাড়াও ভাঙ্গা থানার ওসি মো: আশরাফ হোসেন নিয়েই ওয়ারেন তামিল, মাদকউদ্ধার,ও সচেতনতার বিষয় উঠান বৈঠকসহ পুলিশের বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চালান।
ভাঙ্গা থানায় সেবা নিতে আসা এক ব্যক্তি দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন পত্রিকা কে বলেন যে,আমি গত কয়েক বছর আগে আমার পারিবারিক সমস্যা নিয়ে থানায় এসেছিলাম।
তখন আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলাম মানুষ যেন কখনো থানায় না আসে।
কিন্তু এবার থানায় এসে যা দেখলাম,
তাতে আমি রীতিমতো হতবাক।ওসি আশরাফ হোসেন ভাঙ্গা বাসিকে যে ধরনের সেবা দিয়ে যাচ্ছে এধরনের সেবা যদি সারা বাংলাদেশে দেওয়া যেত
তাহলে পুলিশ আর জনগণের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব থাকত না।ভাঙ্গা থানার ওসি মো: আশরাফ হোসেন বলেন,আমি মূলত গণপ্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী। জনগনকে সেবা দেওয়াই আমার কাজ আর আমি যা করছি তা আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব থেকেই করছি।
আমি চাই আমার থানায় এসে যেন কোনো মানুষ কষ্ট না পায়, জনগণের সেবা দেওয়াই আমার মূল লক্ষ্য। পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সেতু বন্ধনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ভাঙ্গাবাসীর কাছে আমার কোন কিছু চাওয়ার নেই শুধু দোয়া করবেন আমি যেন সৎ ভাবে ভাঙ্গাবাসী কে সেবা দিতে পারি। গত ০৯/০৩/২০২৫ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত ভাঙ্গাবাসী কে যে ভাবে সৎ ও ন্যায়ের পথে থেকে সেবা দিয়ে আসছি বাকি যে কয় দিন আল্লাহ এখানে রাখে দোয়া করবেন আমি যেন সম্মানের সাথে বিদায় নিতে পারি।