
জাবেদ হোসাইন হাটহাজারী প্রতিনিধি
‘রসুলের অপমানে যদি কাঁদে না তোর মন, মুসলিম নয় মুনাফিক তুই রসুলের দুশমন’ শ্লোগানে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ফতেপুরে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী রাসুল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) কে নিয়ে ভারতের মহারাষ্ট্রের হিন্দু পুরোহিত রামগিরি মহারাজের করা কটুক্তি ও তাকে বিজেপির সাংসদ নিতেশ রানের সমর্থনের প্রতিবাদে ফতেপুর ছাত্রসেনা ও সুন্নী জনতার ব্যানারে এই কর্মসূচী পালন করে। জুমাবার (৪ অক্টোবর)বিকাল ৫ টায় চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ১নং গেইট সমাবেশ করে প্রতিবাদ করেন সুন্নীজনতা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, চলতি বছরের আগস্ট মাসে প্রিয় নবী রাসূল (সা:) এর নামে রামগিরি মহারাজ জঘন্য কটূক্তিমূলক বক্তব্য দেন। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে মহারাষ্ট্রের মুসলিম জনতাসহ বিশ্ব মুসলিম। ফলে রামগিরির বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে ৫০টিরও বেশি মামলা হয়। এদিকে রামগিরির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে একের পর এক মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের বিজেপির হিন্দুত্ববাদী সাংসদ নিতেশ রানে। এমনকি তাতেও ক্ষান্ত না হয়ে এক বক্তব্যে নিতেশ হুমকি দিয়ে বলেন, রামগিরি মহারাজের বিরুদ্ধে যারা কথা বলবে, মসজিদে ঢুকে তাদের পেটানো হবে। এর প্রতিবাদে রাজ্যে নিতেশের বিরুদ্ধেও বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। কিন্তু, অসংখ্য মামলা হলেও এখনো রাজ্য সরকার তাদের গ্রেফতার করাতো দূরের কথা কোন প্রতিবাদ করেনি।
সমাবেশ বক্তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর বিরুদ্ধে ভারতের হিন্দু পুরোহিত রামগিরি মহারাজজের করা কটূক্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আরও বলেন, বিশ্ব মুসলিমের কলিজায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে রামগিরি। আর সেই আগুনে ঘি ঢেলেছে গুজরাটের কসাই নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপির সংসদ সদস্য নিতেশ রানে। আর তাই মহানবীর অবমাননাকারীদের গ্রেফতার করে সঠিক বিচার না করলে ভারতকে এর চড়া মূল্য দিতে হবে। অন্যথায় আগামীতে ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাওসহ আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে বলে জানান মুসলিম জনতা ও ছাত্রসেনার কর্মীরা ।
এর আগে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ১নং গেইটের সামনে তওহি জনতা একটি মানব বন্দ্ধন করেন আর সুন্নি জনতা বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে চবি ১নংগেইট সহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মদন হাট বাজার গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে মুহাম্মদ রিয়াদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন উপজেলা ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেকান্দর মিয়া,বিশেষ অতিথি ছিলেম মিনহাজ উদ্দিন,প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা ছাত্রসেনার সহ সভাপতি জিয়াল হক্ব কাদেরী,উদ্বোধক ছিলেন যুবসেনার সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ নুরুল আলম,আলমগির হোসেন,মাওলানা মুছা কাজেম,মাওলানা মুহাম্মদ জাবেদ হোসাইন,মুহাম্মদ ফোরকান উদ্দীন,হামিদ মেম্বার,কাউছার আহমেদ,মুরাদ হোসেন,মাওলানা কামাল উদ্দিন, মাওলানা মোস্তফা আলম,জমির উদ্দিন,ফারভেজ মোশাররফের, আব্দুর রহমান,সহ প্রমূখ।