
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি
রাহিদ রানা
সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপিকে নিয়ে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে মধুপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ। রোববার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ইয়াকুব আলী।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক একজন সজ্জন, সুশিক্ষিত ভদ্র মানুষ। তিনি মধুপুর ও ধনবাড়ী থেকে নির্বাচিত পাঁচবারের এমপি। তিনি সফল খাদ্য ও কৃষিমন্ত্রী। তাঁকে নিয়ে কালিহাতীতে সড়ক অবরোধকালে প্রবীণ রাজনীতিক আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী যে মন্তব্য করেছেন তা সম্পূর্ণ নিন্দনীয়। আমরা তাঁর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
ইয়াকুব আলী বলেন, আমরা জেনেছি কালিহাতী থানা পুলিশ মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের গ্রেপ্তার করে এনেছিলো। তাদের ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী তার অনুসারীদের নিয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ করেন। সেই সময় অকারণে ড. রাজ্জাক সম্পর্কে অসৌজন্যমূলক বক্তব্য দেন লতিফ সিদ্দিকী। কালিহাতীর মানুষ আবেগের বসে আওয়ামীলীগের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করেছেন। আমরা ভেবেছিলাম তিনি জনগণের সম্মান রক্ষার্থেই পরিবর্তন হবেন। কিন্তু তিনি পরিবর্তন হননি।
তিনি আরো বলেন, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী একজন অসভ্য মানুষ। তার মধ্যে মানবিকতা মনুষ্যবোধটুকু নেই। তিনি সন্ত্রাসীদের গডফাদার। তিনি সন্ত্রাসীদের লালন করেন। পালন করেন। উৎসাহ দেন। তিনি অনেক ভদ্র, সুশিক্ষিত মানুষ ও কর্মকর্তাকে তিনি লাঞ্চিত করেছেন।
তাই মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ লতিফ সিদ্দিকীর অশালীন, কুরুচিপূর্ণ, আপত্তিজনক ও মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে তাঁর বিরুদ্ধে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা ও আইনী পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেন নেতৃবৃন্দ।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন মধুপুর পৌরসভার মেয়র মো. সিদ্দিক হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি ও সাদিকুল ইসলাম সাদিক, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমেদ নাসির।
এসময় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগি বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।