ওয়াসিম উদ্দিন
মিরসরাই প্রতিনিধি (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার অন্তর্গত ১০নং মিঠানালা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড পশ্চিম মিঠানালা গ্রামের আবদুর রাজ্জাক বলী বাড়ীর শামসুদ্দীনের পুত্র এবং মোবাইল দোকানী আলমদিনা টেলিকম এর ছোট ভাই আরমান হোসেন রুবেল গত ১২ জুন রাত ৮ টার পর সুফিয়া বাজার থেকে নিখোঁজ হয়। সে খৈয়াছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলো। আজ ১৭ জুন শনিবার মিরসরাই শিল্প জোনের সাগরপাড়ে সাহেরখালী বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি অর্ধগলিত মৃত ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়, পরনের পোষাক দেখে পরিবারের সন্দেহ হলে তার পরিবার ডি এন এ টেষ্টের মাধ্যমে সনাক্ত করে নিশ্চিত করে আরমানের মৃত দেহ।
আরমানের ভাই বেলাল হোসেনের সাথে কথা বলে জানা যায় গত কয়েক দিন পূর্বে ১০ নং মিঠানালা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সন্তান আরমান হোসেন রুবেল সুফিয়া বাজার থেকে আনুমানিক রাত ৮ ঘটিকার সময় নিখোঁজ হন।
আজ ২জ জুন তাকে হাত পা বাঁধা অবস্হায় মিরসরাই ইকোনোমিক জোনের সাগর পাড়ে মৃত অবস্হায় পাওয়া গিয়েছে। সে খৈয়াছড়া উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্র। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী আরমানের পরিবারের।
খৈয়াছরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক প্রবাল ভৌমিকের সাথে কথা বলে জানা যায় রুবেল ১০ম শ্রেণিরতে পড়ালেখা করতো ছেলেটা খুবই মেধাবী ছিলো তবে কি কারণে এই হত্যাকান্ড হলো তার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে প্রশাসনের প্রতি।
মিরসরাই থানা অফিসার ইনচার্জ এর সাথে কথা বলে জানা যায়। মিরসরাই ইকোনমিক জোন সাহেরখালী বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি অর্ধ গলিত লাশের খবর পেলে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরবর্তী তে ডিএনএ টেষ্ট করার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। ডিএনএ টেষ্টের রিপোর্ট জানা যায় লাশটি আরমান হোসেন রুবেলের।
এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে।
