
একে আজাদ রাণীশংকৈল প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁয়ের রাণীশংকৈলে গত ৭ দিন ধরে কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখা মিলছে না।
ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে রয়েছে প্রকৃতি। শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা
।ঠাকুরগাঁও জেলা সহ রাণীশংকৈল ও এর আশেপাশের অঞ্চলে সারাদিনের তাপমাত্রা ৮ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। দিনের তাপমাত্রার ব্যবধান আগের থেকেও কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঠাকুরগাঁওয়েররাণীশংকৈল উপজেলাএকমাত্র মধ্যবর্তী হিমালয়ের কোন ঘেসে এ উপজেলা অবস্থিত ।
তাই এ জেলায় প্রতি বছর শীতের প্রকোপ বেশি হয়ে থাকে। বরাবরের ন্যায় শীতের দাপটে কাবু এই অঞ্চলের মানুষ। সারাদিন ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে রাস্তাঘাট ও ফসলের মাঠসহ চারদিক। দুঘর্টনা এড়াতে দিনের বেলাও রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের জীবিকা নির্বাহ করতে হিমশিম খাচ্ছে।এছাড়াও হাসপাতাল গুলোতে শীতজনিত কারণে সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।স্থানীয়রা কৃষকরা বলছেন, শীত ও কুয়াশা বাড়ার ফলে বোরো ধানের বীজতলার ক্ষতির সম্ভাবনা আছে।ঢাকাগামী বাস চালক রুহুল আমিন বলেন, কুয়াশার পরিমান খুব বেশি। ফলে রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেড়েছে।
সেইসাথে আস্তে আস্তে গাড়ি চালানোর কারণে গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় বেড়েছে দিগুণ।ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান, জেলার ৫টি উপজেলায় ৩৬ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে কম্বল বিতরণ বাড়ানো হবে। সেইসাথে জেলার বিত্তবানরা যদি সাহায্যে এগিয়ে আসেন, তাহলে এই দুর্যোগ মোকাবিলা আরও সহজ হবে।
এদিকে নিম্ন আয়ের লোকজন কাজ নাপেয়ে কষ্টের সম্মুখীন হচ্ছে। অপরদিকে নির্ণয়ের লোকজন ঘর থেকে শীতের দাপটে যুবুথুবু বের হতে পারছেন না। হলে সীমাহীন ভাবে প্রচন্ড শীতের সাথে লড়াই করে অধ্যাহে অনাহারে দিন কাটে। অন্যদিকে উপজেলা প্রশাসনিক পক্ষ থেকে বিভিন্ন ছিন্নমূল ও অসহায়দের পাশে গিয়ে খোঁজ নিয়ে রাতের আঁধারে কম্বল ও গরম কাপড় বিতরণ করার খবর পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে এলাকার বিত্তবান দের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে যে অসহায় ভাসমান ও ছিন্নমূলশীতার্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সচেতন মহল জোর দাবি জানিয়েছেন।